banglanewspaper

খুলনার দাকোপ উপজেলায় নবম শ্রেণির সেই ছাত্রীকে পতিতা পল্লীতে থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। ১২ জুলাই রাতে অপহরণের পর নিষিদ্ধ পল্লীতে তাকে আটকে রাখা হয়। আদালতের নির্দেশে সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার সকালে পুলিশের একটি টিম পতিতা পল্লীর সর্দারনী লুৎফা বেগমের বাসা থেকে তাকে উদ্ধার করে। পুলিশের উপস্থিতি জানতে পেরে আসামিরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। এ ঘটনায় দাকোপ থানায় মামলা করা হয়েছে।

এদিকে স্কুলছাত্রীটিকে উদ্ধারের পর পুলিশ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (দাকোপ) আদালতে হাজির করলে ২২ ধারা জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। এরপর তাকে বাগেরহাটের সেফহোমে রাখার আদেশ দেয় আদালত। 

আদালতে দায়েরকৃত মামলার  বিবরণে বলা হয়, ছাত্রীটি স্কুলে আসা-যাওয়ার পথে হৃদয় হাওলাদার নামে এক যুবক নানাভাবে উত্ত্যক্ত করত। তাছাড়া বিভিন্ন সময়  প্রেমের প্রস্তাব দিত।  অসহায় ও গরিব প্রকৃতির মানুষ হওয়ায় ছাত্রীটির পরিবার কোন প্রতিবাদ করতে পারেনি। ১২ জুলাই রাতে ঘরের বেড়া কেটে ছাত্রীকে অপহরণ করে। 

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পতিতা পল্লীর সরদারনী লুৎফি বেগমের ছেলে হৃদয় হাওলাদার ও তার সহযোগী আরিফ  নামে এক যুবক মিলে ছাত্রীকে অপহরণ করেছে। পরে  ছাত্রীটিকে নিষিদ্ধ পল্লীতে আটকে রাখে।

এ ঘটনায়  ১৭ জুলাই খুলনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ১নং ট্রাইব্যুনালে মামলা  করেন ছাত্রীর মা মনজিলা বেগম। ট্রাইব্যুনালের বিচারক আলমাস হোসেন মৃধা আসামিদের আটক করতে পুলিশকে নির্দেশ দেন।

ওসি শফিকুল ইসলাম চৌধুরী জানান, আদালতের আদেশ পেয়ে অভিযান চালিয়ে  সকালে নিষিদ্ধ পল্লী থেকে ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়। ছাত্রীটির ডাক্তারি পরীক্ষা শেষে আদালতে উপস্থাপন করা হয়েছে।  আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে। ’

ট্যাগ: bdnewshour24 নিষিদ্ধ পল্লী