banglanewspaper

মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে ডাক্তারের অনুপস্থিতিতে প্রসূতির সিজার করলেন নার্স। সিজারের সময় নবজাতকের গলা কেটে ফেলা হয়েছে। এতে ওই নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে।

নবজাতকের গলা কেটে গেলে অবস্থা বেগতিক দেখে ডেলিভারি শেষ না করে অপারেশন থিয়েটারে মা-শিশুকে রেখে পালিয়ে যান নার্সরা। পরে অপারেশন থিয়েটারে গিয়ে স্বজনরা দেখেন নবজাতকের অর্ধেক মায়ের পেটে এবং মাথা ও হাত বাইরে।

এ অবস্থায় ওই মা-শিশুকে অন্য ক্লিনিকে নেয়া হয়। সেখানে মৃত নবজাতকের জন্ম হয়। মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে গত রবিবার এ ঘটনা ঘটে। বৃহস্পতিবার শিশুটির বাবা সামজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ ঘটনা নিয়ে স্ট্যাটাসের দিলে বিষয়টি আলোচনায় চলে আসে।

প্রসূতির স্বামী মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার কুমড়াকাপন গ্রামের বাসিন্দা মো. আওয়াল হাসান বলেন, রবিবার ভোরে স্ত্রীর প্রসব ব্যথা ওঠে। অবস্থা খারাপ দেখে তাকে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যাই। প্রথমে হাসপাতালের নার্সরা রোগী দেখে জানান, নরমাল ডেলিভারিতে সন্তান হবে। এরপর সকাল ১০টার দিকে একজন ডাক্তার এসে চেকআপ করে বলেন নরমাল ডেলিভারিতেই হবে সন্তান।

কিছুক্ষণ পর নার্সরা আমাকে জানান, সিজার করা লাগবে। সিজারের মেডিসিন আনার জন্য একটা স্লিপ দেন তারা। ওই সময় হাসপাতালের এক ব্যক্তিকে মেডিসিন আনার জন্য আমার সঙ্গে দেয়া হয়। আমি তার সঙ্গে না গিয়ে অন্য একটি ফার্মেসি থেকে ওষুধ কিনে আনি। ওষুধ আনার পর নার্সরা বলেন রক্ত লাগবে।

আগে আমার সঙ্গে যে লোককে ফার্মেসিতে পাঠানো হয়েছিল তাকে দেখিয়ে নার্সরা বলেন, তার কাছে রক্ত আছে, পাঁচ হাজার টাকা লাগবে। আমি পাঁচ হাজার টাকা না দিয়ে তিন হাজার টাকায় বাইর থেকে এক পাউন্ড রক্ত নিয়ে আসি।

ট্যাগ: bdnewshour24 সিজার