banglanewspaper

রাণীনগর (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর রাণীনগরে সপ্তম শ্রেণীর স্কুল পড়ুয়া ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলার ২৬ দিন অতিবাহিত হলেও এখনো ধর্ষক মোহন আলী (২৩)কে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

এছাড়াও মামলার অন্যান্য আসামীরাও গ্রেফতার নেই। ধর্ষনের ঘটনার শুরু থেকেই কতিপয় প্রভাবশালী মোড়লরা ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টায় লিপ্তছিল। এখন মামলার পর আসামীদের বাঁচানোর জন্য তারা দেনদরবার-তদবির করেই যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে রাণীনগর উপজেলার মিরাট ইউনিয়নের হরিশপুর গ্রামে।
 
মামলা ও ভুক্তভুগির পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার মিরাট ইউনিয়নের হরিশপুর গ্রামের অটোভ্যান চালক আজিজার রহমানের কলেজ পড়ুয়া ছেলে মোহন আলী (২৩) পাশের একটি গ্রামের জনৈক ব্যক্তির স্কুল পড়ুয়া ৭ম শ্রেণীর ছাত্রীর সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। এক পর্যায়ে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে প্রেমিক মোহন আলী গত ৭জুন কৌশলে প্রেমিকাকে নিয়ে অজনার উদ্দ্যেশে পাড়ি জমায়।

এ সময় বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাফেরার মধ্যে বেশ কয়েকবার মোহন আলী মেয়েটিকে ধর্ষণ করে এবং বিয়ে না করে ২ দিন পর প্রেমিকাকে বাবার বাড়ী পাঠিয়ে দেয়। ঘটনাটি জানাজনি হলে এলাকার কতিপয় মোড়লরা ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে তৎপর হয়ে ওঠে এবং সময় অতিবাহিত করার কৌশল হিসেবে দেনদরবার চালিয়ে যেতে থাকে।

কোন উপায় না পেয়ে ধর্ষিতা ছাত্রীর মা থানার আশ্রয় নিয়ে ধর্ষক মোহন আলীসহ আরো ৫/৬ জনকে আসামী মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-১৬, তাং ২৪/০৬/১৯ ধারা-৭/৯(১)৩০ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন।
 
এ বিষয়ে ধর্ষিতার ভাই মিঠু বলেন, মামলার পড় থেকে আসামীরা পলাতক থাকার কারণে পুলিশ এখনো কাউকে আটক করতে পারেনি। আমরা চাই আসামীদের দ্রুত আটক করে আইনের আওতায় আনা হোক।

এ ব্যাপারে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরির্দশক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, মূল আসামী মোহনসহ সবাই পলাতক। তবে সবাইকে গ্রেফতারের জন্য আমাদের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

এ ব্যাপারে রাণীনগর থানার ওসি (ভারপ্রাপ্ত) মাহবুব আলম বলেন, আসামীদের গ্রেফতারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি।

ট্যাগ: bdnewshour24 রাণীনগর নওগাঁ