banglanewspaper

কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে প্রস্তুত হচ্ছেন দেশের গরু ব্যবসায়ীরা। খামারের গরু এক স্থান থেকে অন্য স্থানে আনা নেয়া এরইমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। তবে সড়কে ঝুঁকি নিয়েই পশু আনা নেয়া হচ্ছে। 

দিনাজপুর-ফুলবাড়ী, দিনাজপুর-রংপুর এবং দিনাজপুর-পঞ্চগড় মহাসড়কে দিন-রাত সমানতালে চলতে দেখা যাচ্ছে উচ্চ আদালতের নির্দেশে নিষিদ্ধ ইঞ্জিনচালিত নছিমন। 

কিন্তু বাস্তব চিত্রটা ভিন্ন। বরং নছিমনের ভেতরে গরু রেখে যাত্রীদের তোলা হচ্ছে ছাদে। 
কোরবানির ঈদ ঘিরে নছিমন বা টেম্পোর ভেতরে গরু এবং নড়বড়ে ছাদে গরু ব্যবসায়ীদের যাতায়াত করতে দেখা যাচ্ছে। 

প্রশাসনের নাকের ডগার উপর দিয়ে এইসব নিষিদ্ধ যানবাহন চলাচল করলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে তেমন কোনও পদক্ষেপ চোখে পড়ছে না বলে সাধারণ মানুষের অভিযোগ।

আর গরু ব্যবসায়ীদের বক্তব্য, অন্য কোনও যানবাহন না পেয়ে ও দু’পয়সা বাঁচাতেই তারা এই নছিমন কিংবা টেম্পো দিয়ে গরু নিয়ে যাচ্ছেন কোরবানির পশুরু হাটে। 

এ ব্যাপারে গরু ব্যবসায়ী মো. আফসার আলী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমরা শেয়ারে গরুর ব্যবসা করি। পিকআপ ভ্যানে কিংবা ট্রাকে গরু নিতে গেলে খরচটা অনেক বেশি পড়ে। নছিমনে একসঙ্গে ৫টা গরু নেয়া যায়। খরচও কম হয়। তাই এভাবেই গরু আনা নেয়া করছি।’

আর যেহেতু ভেতরে গরু বোঝাই তাই বাধ্য হয়েই ব্যবসায়ীরা নছিমন কিংবা টেম্পোর ছাদে বসে ঝুঁকি নিয়ে গন্তব্যের দিতে যাচ্ছেন বলেও জানান তিনি। 

দৃশ্যমান কোনও পদক্ষেপ না থাকলেও প্রশাসনের দাবি, এই নিষিদ্ধ ঘোষিত নছিমন-করিমনের বিরুদ্ধে তারা কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। অভিযানও পরিচালিত হচ্ছে। রাস্তায় রাস্তায় ট্রাফিক পুলিশ বসানো হয়েছে।

দিনাজপুর ট্রাফিক পুলিশের ইন্সপেক্টর (টি.আই) বারী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘নছিমন, করিম, টেম্পো এমহাসড়কে দেখলেই আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি। অনেককে জরিমানাসহ শাস্তিও দেয়া হচ্ছে।’
 

ট্যাগ: bdnewshour24 গরু