banglanewspaper

মূলত ব্যাটসম্যান হিসাবেই মাঠে নামেন৷ ফার্স্ট ক্লাস ক্রিকেটে ১৭টি সেঞ্চুরি ও ৪৬টি হাফসেঞ্চুরি রয়েছে৷ লিস্ট-এ ও টি-টোয়েন্টি মিলিয়ে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে ২টি সেঞ্চুরি ও ২৮টি হাফসেঞ্চুরির অধিকারী তিনি৷

বল হাতে নেন পার্ট-টাইমার হিসাবে৷ তবে দলকে কখনও হতাশ করেননি৷ উইকেট তোলেন মাঝে মধ্যেই৷ তবে বল হাতে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এমন বিশ্বরেকর্ড গড়ে বসবেন, তা বোধহয় স্বপ্নেও ভাবেননি কলিন অ্যাকারমান৷

২৮ বছর বয়সি দক্ষিণ আফ্রিকার কলিন ভাইটালিটি টি-টোয়েন্টি ব্লাস্টে লেস্টারশায়ারের হয়ে দুরন্ত বোলিং করেন৷ একাই তুলে নেন প্রতিপক্ষ বার্মিংহ্যাম বিয়ার্সের ৭টি উইকেট৷ ম্যাচে তাঁর বোলিং গড় দাঁড়ায় ৪-০-১৮-৭৷ এখনও পর্যন্ত টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসে এটাই সেরা বোলিং গড়৷ কলিনই একমাত্র বোলার যিনি টি-২০ ক্রিকেটে ৭ উইকেট নেওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করেন৷

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে আগের বিশ্বরেকর্ড ছিল মালয়েশিয়ার আরুল সুপিয়ার, যিনি সামারসেটের হয়ে ২০১১ সালে গ্ল্যামারগনের বিরুদ্ধে ৫ রানে ৬ উইকেট নিয়েছিলেন৷ যদিও টি-২০ ক্রিকেটে একই ম্যাচে ৬ উইকেট নিয়েছেন বহু ক্রিকেটার, তবু সব থেকে কম রান খরচ করার জন্য রেকর্ড বইয়ে নাম ছিল আরুলের৷ এবার থেকে সেই মুকুট উঠল কলিনের মাথায়৷

ম্যাচে লেস্টার আগে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৬ উইকেটের বিনিময়ে ১৮৯ রান তোলে৷ হ্যারি সুইনডেলস ৬৩ ও লুইস হিল ৫৮ রান করেন৷ ক্যাপ্টেন কলিন মাত্র ৪ রান করে আউট হন৷ পালটা ব্যাট করতে নেমে বার্মিংহ্যাম ১৭.৪ ওভারে ১৩৪ রানে অলআউট হয়ে যায়৷

স্যাম হেইন ৬১ রান করেন৷ অ্যাকারমান একাই ঝলসে দেন বার্মিংহ্যামের ব্যাটিং লাইনআপকে৷

ট্যাগ: bdnewshour24 উইকেট বিশ্বরেকর্ড প্রোটিয়া স্পিনার