banglanewspaper

এম.পলাশ শরীফ, বাগেরহাট প্রতিনিধি: জেলেদের বিশেষ ভিজিএফের চাল ওজনে কম দেওয়ার অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন বাগেরহাটের শরণখোলায় ৩নম্বর রায়েন্দা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান মিলন। আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে পুঁজি করে তার প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীসহ রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা দীর্ঘদিন ধরেই ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছেন।

তারই ধারাবাহিকতায় গত বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) চাল বিতরণকালে কম দেওয়ার গুজব তুলে তার ও তার পরিষদের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছে। শনিবার দুপুরে শরণখোলা প্রেসকাবে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ইউপি চেয়ারম্যান ওই ঘটনার প্রতিবাদ জানান।

ইউপি চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান মিলন লিখিত বক্তব্যে বলেন, গভীর সাগরে ৬৫দিন মৎস্য আহরণ বন্ধ রাখার জন্য জেলেদের মাথাপিছু ৪৬ কেজি করে বিশেষ ভিজিএফের চাল বরাদ্দ দেয় সরকার। রায়েন্দা ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডের প্রায় দুই হাজার জেলেকে ওই খাদ্য সহায়তার চাল ওইদিন স্থানীয় ফায়েল খায়ের ভবনে বিতরণ করা হচ্ছিল। এমন সময় যুবলীগ নেতা ও স্ব-ঘোষিত আমার প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী আজমল হোসেন মুক্তা বিতরণস্থানে গিয়ে ওজনে কম দেওয়া হচ্ছে বলে হৈচৈ শুরু করেন। তিনি উদ্দেশ্যমূলকভাবে রাস্তা থেকে কয়েকজনের বস্তার চাল ২৫ কেজি ধারণ সম্পন্ন ত্রুটিপূর্ণ একটি মিটারে পরিমাপ করে ৩৩ থেকে ৩৫ কেজি হয়েছে বলে গুজব সৃষ্টি করেন। এক পর্যায়ে ৯টি বস্তা তিনি থানা হেফাজতে রাখেন। অথচ ওইদিন সন্ধ্যায় অভিযুক্ত বস্তাগুলো অভিযোগকারী আজমল হোসেন মুক্তার উপস্থিতিতেই তদারকির দায়িত্বে থাকা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আলাউদ্দিন মাসুদ পরিমাপ করে প্রতিটি বস্তায় ৪২ থেকে ৪৩ কেজি চাল পেয়েছেন।

ইউপি চেয়ারম্যান আরো বলেন, জেলেপ্রতি ৪৬ কেজি করে চাল দেওয়ার কথা। কিন্তু চাল গোডাউনে ওঠানো থেকে বিতরণ পর্যন্ত অনেক ঘাটতি হয়। তাছাড়া বিতরণের দায়িত্বে নিয়োজিত শ্রমিকদের এর থেকে কিছু চাল দেওয়া হয়ে থাকে। এসব কারণে সঠিক মাপে চাল দেওয়া সম্ভব হয়না।

সংবাদ সম্মেলনে প্যনেল চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ রুমি, ইউপি সদস্য কাওসার আকন, শহিদুল হাওলাদার, জাকির খান, তাছেন তালুকদার, বেবী বেগম ও নাজমা আক্তার উপস্থিত ছিলেন। সম্মেলনে উপস্থিত হতে না পেরে মুঠোফোনে ইউপি সদস্য শাহজাহান বাদল জমাদ্দার ও রুহুল আমিন সঠিক নিয়মে চাল বিতরণ করা হয়েছে এবং কম দেওয়ার অভিযোগ ষড়যন্ত্র বলে দাবি করেন।

ট্যাগ: bdnewshour বাগেরহাট