banglanewspaper

সাঁতার কেটে ফেরার পর থেকেই সুসি টরেস বাঁ কানে অস্বস্তি বোধ করতে থাকেন। শুরুতে ভেবেছিলেন পানি ঢুকেছে। কিন্তু রাত পেরিয়ে যাওয়ার পরও অস্বস্তি না কমে বরং শো শো আওয়াজ শুনতে শুরু করায় তিনি চিকিৎসকের কাছে যান।

ফক্স ফোর নিউজ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, আমেরিকার মিসৌরির বাসিন্দা টোরেস গত মঙ্গলবার চিকিৎসকের কাছে গিয়ে জানতে পারেন তিনি কতটা ভুল ভেবেছিলেন। চিকিৎসকের এক সহকারী টরেসের কান পরীক্ষা করতে গিয়ে ভয়ে দৌড় দিয়ে কক্ষ থেকে বেরিয়ে তার সহকর্মীদের ডেকে আনেন। 

তারা টরেসকে জানান, সম্ভবত তার কানে কোনও মাছি জাতীয় পোকা ঢুকেছে এবং সেটি তখনও জীবন্ত। একথা শুনে টরেস নিজেকে শান্ত রাখার চেষ্টা করেন। কিন্তু তা কিছুতেী করে উঠতে পারেননি।

কিন্তু চিকিৎসক যখন কানের ভেতর থেকে প্রাণীটি বের করে নিয়ে আসেন তখন দেখা যায় মাছি নয়, তার কানে বাদামী রঙের বিষাক্ত একটি মাকড়শা ঢুকেছিল। যা কিনা ভয়াবহ। তবে টরেসের ভাগ্য ভালো যে সেটি তাকে কামড়ায়নি। এ ঘটনার পর তাকে ভয়াবহ এক আতঙ্ক পেয়ে বসেছে। সে জানিয়ে টরেস বলেন, তিনি এখন কানে তুলো গুঁজে ঘুমান। যাতে আর কোনও পোকা-মাকড় ঢুকতে না পারে।

টরেসের কানে যে ধরনের মাকড়শা ঢুকে ছিল সেটির কামড়ে মাংসপেশীতে ব্যাথা, মাথা ঘোরা এবং শ্বাসকষ্টসহ আরও বেশকিছু শারীরিক উপসর্গ দেখা দেয়। ভয়ানক এই মাকড়শা সাধারণত আটকে না পড়লে বা স্পর্শ না করলে কামড় দেয় না। এটিকে ‘ভায়োলিন স্পাইডার’ নামেও ডাকা হয়।

ট্যাগ: bdnewshour24 কান বিষাক্ত মাকড়সা