banglanewspaper

খান মোঃ আসাদ উল্লাহ, ববি প্রতিনিধি: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বশেমুরপ্রবি) -এর দ্যা ডেইলি সান পত্রিকার বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি ফাতেমা-তুজ-জিনিয়াক সাময়িক বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার এবং আলোকিত বাংলাদেশ পত্রিকার বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি শামস জেবিনের ওপর হামলাকারীদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

আজ (বুধবার) দুপুর সাড়ে ১২ টায় সাংবাদিকতা বিভাগের ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী সাকিব-আল হাসানের সঞ্চালনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকের সামনে ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়কেমা মানববন্ধনটি অনুষ্ঠিত হয়। 

মানববন্ধনে মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী লোকমান হোসেন ফাতেমা -তুজ -জিনিয়াকে অন্যায়ভাবে বহিষ্কারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ  জানিয়ে বলেন, "সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম  ফেইজবুকে  নগণ্য একটি পোস্টের কারণে তাকে  বহিষ্কার করার মাধ্যমে  বশেমুরপ্রবি প্রশাসন মূলত তাদের দুর্নীতি ও অনিয়মের সকল অপকর্ম ঢাকার চেষ্টা করেছেন।"

মানববন্ধনকারীরা বলেন, এমন সিদ্ধান্ত প্রশাসনের একঘেয়েমি,স্বৈরতান্ত্রিকতা  ব্যতীত আর কিছু নয়। তাই অনতিবিলম্বে জিনিয়ার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করতে হবে এবং উপাচার্য মহোদয়ের সকল অনিয়মের তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কৃর্তপক্ষকে অনুরোধ জানান।

গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী সোহেল রানা বলেন, "ফাতেমা-তুজ-জিনিয়ার বহিষ্কারাদেশ ও শামস্ জেবিনের উপর হামলা স্বাধীন সাংবাদিকতা ও বাকস্বাধীনতার  উপর হামলার শামিল। বশেমুরপ্রবি প্রশাসনের প্রতি আমাদের অনুরোধ থাকবে  স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করে জিনিয়ার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার ও শামস্ জেবিনের উপর হামলার বিচার নিশ্চিত করা  হোক।

মানববন্ধনে সাংবাদিকতা বিভাগের ১ম বর্ষের শিক্ষার্থী জয়নাল আবেদীন বলেন, "তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ অনুযায়ি সকলের তথ্য জানার অধিকার রয়েছে। একজন সাংবাদিক হিসেবে জিনিয়ার ফেসবুকে স্টাটাসে তথ্য জানার কৌশল ছিল মাত্র যা সম্পূর্ণ যৌক্তিক। ফেসবুক স্টাটাসকে কেন্দ্র করে জিনিয়ার বহিষ্কার সম্পূর্ণ বেআইনি।"

উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী ও ডেইলি সান পত্রিকার ক্যাম্পাস প্রতিনিধি ফাতেমা- তুজ- জিনিয়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে 'বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান কাজ কী?' লিখে পোস্ট করলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি নষ্ট ও উপাচার্যের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ও কেন্দ্রীয় ওয়েবসাইট হ্যাকের মাধ্যমে ২০১৯-২০ ভর্তি পরীক্ষা বানচালের অভিযোগ এনে তাকে  সাময়িক বহিষ্কার করে। ফাতেমা তাঁর বিরুদ্ধে উঠা সকল  অভিযোগ  অস্বীকার করে নিজেকে নির্দোষ দাবী করেন। 

উপাচার্য ও জিনিয়ার একটি ফোন রেকর্ডিং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনায় পড়েন বশেমুরপ্রবি উপাচার্য। জিনিয়াকে সমর্থন করার কারণে আলোকিত বাংলাদেশ পত্রিকার ক্যাম্পাস প্রতিনিধি শামস্ জেবিনের উপরও ন্যক্কারজনক হামলা করা হয়।

ট্যাগ: bdnewshour24 বশেমুরপ্রবি ববি