banglanewspaper

সৌদি আরবের মালিকানাধীন সবচেয়ে বড় জ্বালানি কোম্পানি আরামকোর দুইটি তেলক্ষেত্রে ড্রোন হামলার ঘটনায় নিরাপত্তার জন্য সৌদিতে সৈন্য মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার্ক এসপার উপসাগরে নতুন করে সৈন্য মোতায়েনের এ পরিকল্পনা ঘোষণা করেন।

শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট চিপস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ডানফোর্ড জুনিয়রকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিরক্ষামন্ত্রী সৈন্য পাঠানোর পরিকল্পনা ঘোষণা করেন। 

ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বরাত দিয়ে জানায়, সৌদি আরবে সৈন্য মোতায়েনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হলেও প্রাথমিকভাবে কত সৈন্য মোতায়েন করা হবে তা নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোন সিদ্ধান্ত হয়নি।

সংবাদিকদের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন,‘সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত আমাদের কাছে সাহায্য চেয়েছে। যেসব মার্কিন সৈন্য পাঠানো হবে তারা বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাপনা বাড়ানোয় জোর দেবে। যুক্তরাষ্ট্র দেশদুটিতে সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহের মাত্রাও বাড়াবে।’

সংবাদিকরা ইরানে সামরিক হামলার সম্ভবনা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন,‘আমরা এখন ওই পর্যায়ে নেই।’

এর আগে শুক্রবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর ‘সর্বোচ্চমাত্রায় নিষেধাজ্ঞা’ আরোপেরও ঘোষণা দেন। 

অন্যদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাভেদ জারিফ এক টুইটার বার্তায় লিখেন,‘যুদ্ধে ইরানের অভিপ্রায় নেই কিন্তু নিজেদের রক্ষায় আমরা বিন্দুমাত্র দ্বিধান্বিত থাকবো না।’ 

গত বুধবার এক টুইটার বার্তায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন। দু’দিনের মধ্যেই গত শুক্রবার ইরানের ন্যাশনাল ব্যাংকের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন তিনি। 

গত ১৪ সেপ্টেম্বরের ওই হামলার ঘটনায় ইরান বরাবরই জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করে আসছে। ইয়েমেরন হুতি বিদ্রোহীরা তেলক্ষেত্র ওই হামলার দায় স্বীকার করলেও ওয়াশিংটনের অভিযোগ, ইয়েমেন নয় বরং ইরান থেকে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। 

ট্যাগ: bdnewshour24 ড্রোন