banglanewspaper

বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার জালশুকা গ্রামের খাওড়া ব্রিজের কাছ থেকে ৩৫ বস্তা ছেঁড়া কাটা টাকা ফেলে দেয়া হয়েছে। টাকাগুলো মেশিনে কুচি কুচি করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানায়, উপজেলার জালশুকা গ্রামের রাস্তার পাশে সোমবার রাত ৮টার দিকে একটি পিকআপ ভ্যান থেকে কয়েকটি বস্তা ফেলে যাওয়া হয়। পরে মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে স্থানীয়রা বস্তা খুলে বিপুল পরিমাণ ছেঁড়া টাকার নোট দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন।

সাধারণ মানুষ ভাবছেন এই টাকা হয়তো লুকাতে না পেরে এখানে ফেলে রেখেছে। আসলে কী তাই? এই বস্তা বস্তা কুটি টাকা রাস্তার পাশের ডোবায় কীভাবে এলো? তবে এসব প্রশ্নের উত্তর মিলেছে।

বিপুল পরিমাণ কুচি কুচি টাকায় বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের বগুড়া কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক জগন্নাথ চন্দ্র ঘোষ বলেন, এগুলো বাতিল ও অচল টাকা। তাই ফেলে দেয়া হয়েছে। কারণ এগুলো পোড়ানোর নিয়ম নেই।

তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, ১ টাকা থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বাতিল নোট পুড়িয়ে ফেলা হয়। তবে ১০০, ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট কুচি কুচি করে কেটে ফেলে দেওয়ার নিয়ম। আর জালশুকা এলাকায় পাওয়া টাকার কুচি বাংলাদেশ ব্যাংকের অচল ও বাতিল হিসেবে ফেলে দেওয়া টাকা।

বগুড়া কার্যালয়ে কুচি করা টাকার ১ হাজার ৮০০ বস্তা জমা হয়েছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই অচল ২৪০ বস্তা টাকা ফেলে দেয়ার জন্য গত ২২ আগস্ট এই এলাকার পৌরসভার মেয়রকে চিঠি দেওয়া হয়।

পরে পৌরসভা ট্রাকে সেগুলো সেখানে নিয়ে ফেলে। পরিবেশের ক্ষতির কথা বিবেচনা করে টাকা পোড়ানো হয় না। এগুলো কোথাও ফেলে দেওয়াই নিয়ম।

এ বিষয়ে শাজাহানপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ বলেন, ডোবায় কুচি কুচি করা টাকা পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায় ঘটনা সত্যি। পরে খোঁজ নিয়ে জানা গেল এগুলো বাংলাদেশ ব্যাংকের ফেলে দেওয়া বাতিল টাকার নোট।

ট্যাগ: bdnewshour24 কুচি টাকা