banglanewspaper

সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার রফিনগর ইউনিয়নের কালিয়াকুঠা হাওরে নৌকাডুবির ঘটনায় আরও চারজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার সকালে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল লাশগুলো উদ্ধার করে। তাদের মধ্যে দুইজন শিশু ও দুইজন নারী।

এ নিয়ে নৌকাডুবির ওই ঘটনায় মোট আটজনের লাশ উদ্ধার করা হলো। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন আরও দুইজন। তাদের সন্ধানে তল্লাশি চলছে।

দিরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম নজরুল সকালে আরও চারটি লাশ উদ্ধারের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সকালে যাদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে তারা হলেন- রফিনগর ইউনিয়নের মাছিমপুর গ্রামের আরজ আলী’র স্ত্রী রইতনু নেছা (৩৫), একই গ্রামের জাসদ মিয়ার মেয়ে শান্তা বেগম (৪), চরনাচর ইউনিয়নের পেরুয়া গ্রামের করিমা বেগম (৬২) এবং নোয়ার চর গ্রামের আসাদ মিয়া (৬)।

সুনামগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের ডেপুটি অ্যাসিটেন্ট পরিচালক শফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, নিখোঁজদের উদ্ধারে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

গতকাল সন্ধ্যার পর রফিনগর ইউনিয়নের মাছিমপুর গ্রাম থেকে ২০-২৫ জন যাত্রীসহ একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা চরনারচর ইউনিয়নের পেরুয়া যাচ্ছিল। কালিয়াকুটা হাওরের আইনুল বিলের পাশে আসার পর ঝড়ের কবলে পড়ে নৌকাটি ডুবে যায়।

এ সময় অনেকে হাওরের মধ্যে পুঁতে রাখা বাঁশ-কাঠা আঁকড়ে ধরে থাকেন। এছাড়া অনেকে নিখোঁজ হন। পরে আশপাশের গ্রামের লোকজন নৌকা নিয়ে তাদের উদ্ধার করেন।

খবর পেয়ে এলাকাবাসীর সহায়তায় ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার অভিযান চালিয়ে রাতে চারজনের লাশ উদ্ধার করে। পরে রাতের জন্য উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়।

গতকাল রাতে যাদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে তারা হলেন মাছিমপুর গ্রামের বাবুল মিয়ার ছেলে শামীম (৩), একই গ্রামের বদরুল মিয়ার ছেলে আবিদ (৪), নোয়ারচর গ্রামের আফাজালের ছেলে সোহান (২) ও চরনারচর ইউনিয়নের পেরুয়া গ্রামের ফিরোজ আলীর ছেলে আজম (২)।

সকালে ফের অভিযানে নামলে চারজনের লাশ পাওয়া যায়। বাকি নিখোঁজদের সন্ধানে তল্লাশি চলছে।

ট্যাগ: bdnewshour24 সুনামগঞ্জ