banglanewspaper

আলফাজ সরকার আকাশ শ্রীপুর(গাজীপুর)প্রতিনিধিঃ কিছুদিন আগেও যে দোকানের সামনে বারান্দা ছিলো তা এখন ঘরে পরিনত হয়েছে। আর যেখানে চলাচলের জন্য ফুটপাত ছিলো তা এখন বারান্দা হয়ে গেছে। সেখানে দোকানের মালামাল সাজানো রয়েছে। 

এদিকে, নির্দিষ্ট মাপের রাস্তার চেয়ে প্রায় অর্ধেক দখলের পর কিছু রাস্তা চলাচলের জন্য থাকলেও এর দুপাশে আবার কাঁচামালের দোকান। পাশাপাশি ব্যাটারী চালিত অটোরিকশা গুলো ঘা ঘেঁষে যত্রতত্র চলাচল। সব মিলিয়ে পথচারীরা চরম ভোগান্তিতে পড়ছে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার কয়েকটি বাজারে।

২৬ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সরেজমিনে শ্রীপুর বাজার,বরমী বাজার ও মাওনা বাজারে এমন চিত্র চোখে পড়ে। 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শ্রীপুর বাজারের কয়েকজন কাঁচামাল ব্যবসায়ী জানান, পৌরসভা কর্তৃক কাঁচামাল বিক্রির কয়েকটি শেড দোকান করে দিলেও সেগুলো মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে অর্থবিত্তদেরকে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। আমাদের তো তেমন পুঁজি নাই। তাই আমরা রাস্তায় কাঁচামাল বিক্রি করি। সবাইকে যদি শেড গুলোতে নেয়া হয় তাহলে আমরাও খুশি। রাস্তায় রোদ বৃষ্টিতে আমাদেরও খুব কষ্ট হচ্ছে। 

শ্রীপুর বাজার ব্যবসায়ী কমুর উদ্দিন জানান, ফুটপাতে দোকান আর বাজারে অটোরিকশা যেভাবে এলোপাতাড়ি চলাচল করে এতে প্রায়ই দুর্ঘটনা দেখা দেয়। আগে দু-পায়ের রিকশা ছিলো সেটা একটা নিয়ন্ত্রণে চলতো। কিন্তু বর্তমান রিকশা গুলোর কোন নিয়মের তোয়াক্কা না করেই দেদারসে চলছে।

শ্রীপুর বাজারে আসা রফিকুল ইসলাম জানান,  আগে খোলামেলা চলার রাস্তা ছিলো। বর্তমানে ফুটপাত দখল করে বিভিন্ন দোকান ও যত্রতত্র অটোরিকশা চলাচলের জন্য স্বাভাবিক ভাবে হাটা যায় না।

শ্রীপুর বাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতি রুহুল আমীন খান রতন জানান, কাঁচামাল ব্যবসায়ীদের একই স্থানে বসানোর জন্য কয়েকবারই উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। একবার বসানো হলেও কিছুদিন পরে তারা আবারও রাস্তায় বসে। এদিকে গোশতের দোকান গুলোকেও শেডে আনা হয়েছিল। 

বিষয়টি সম্পর্কে বক্তব্য নেয়ার জন্য পৌর মেয়র আলহাজ্ব আনিছুর রহমানের মুঠোফোনে একাধিক বার যোগাযোগ করা হলেও পাওয়া যায়নি। 

শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ শামসুল আরেফীন জানান, জনদুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে বিষয়টি নিয়ে ইতমধ্যে আলোচনা হয়েছে। কিছু দিনের মধ্যেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

ট্যাগ: bdnewshour24 শ্রীপুর