banglanewspaper

দুয়ারে কড়া নাড়ছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব সার্বজনীন দূর্গাপূজা। অশুভ শক্তির বিনাশ ও সমাজে শান্তি কামনায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা দেবী দূর্গার পায়ে পুষ্পার্ঘ নিবেদন করবেন। তবে বছর ঘুরে আসা এই শারদীয় উৎসকে কেন্দ্র করে পোশাকের বাজারেও লেগেছে রংয়ের ছোঁয়া। 

পূজার পোশাক কেমন হবে? কোন পোশাকে কেমন মানাবে? কোন পূজার দিন কি পোশাক পরা হবে- পূজা এলে এসব নিয়ে পরিকল্পনার কোনও অন্ত থাকে না। 

এক্ষেত্রে পূজায় নারীর জন্য আদর্শ হতে পারে সাদা-লালপেড়ে শাড়ি। কারণ, সাদা হলো পবিত্রতা ও শান্তির প্রতীক। এই দুয়ের মিলে ফুটে ওঠে পূজার চিরন্তন রূপ। শাড়ির আঁচল, কামিজ বা কুর্তার নেক লাইন ও পাঞ্জাবির ক্যানভাসেও থাকতে পারে নতুনত্ব। 


 

মূলত পূজা যেতেতু তিনদিন তাই অন্তত দুদিনের পরিকল্পনা নিয়ে পোশাক বাছাই করতে হবে। পূজার সাজ হতে পারে দুই রকম। সপ্তমী, অষ্টমী, নবমীতে সাজ হয় নিজের পছন্দমতো। 

দশমীর দিনটার কথা আলাদা। ওই দিন দেবীর বিসর্জন। তাই দশমীর দিন আপনি বাহারি পাড়ের শাড়ি পরতে পারেন। শাড়িতে থাকতে পারে লেইস, আলগা পাড়, ব্লক, চুমকি। 

তবে পূজার শাড়িতে চুমকির কাজটা বেশ মানায়। বিশেষত লাল-সাদা ঢাকাই জামদানি পূজার দিনে যেকোনও নারীকে অনন্যা করে তোলে। লালপেড়ে গরদের আবেদন তো চিরকালীন। পরতে পারেন মসলিন বা সিল্কের শাড়িও।


পূজায় যেকোনও শাড়ির সঙ্গে ব্লাউজেও আনতে পারেন ফ্যাশন। ব্লাউজ হতে পারে লম্বা হাতার কিংবা কুঁচি দেয়া। তবে সঙ্গে গয়নাটা হতে হবে মানানসই। আজকাল সোনার পরিবর্তে অ্যান্টিক ধাঁচের গহনাই বেশি পরা হয়। দু’হাতে পরা যায় বাহারি রংয়ের কাঁচের চুড়ি। খোঁপায় গুজে দিতে পারের তাজা একখানা ফুল। 

ছেলেদের জন্যই পূজার পোশাকে থাকতে পারে বাহারি ফ্যাশন। সেক্ষেত্রে ধুতি-পাঞ্জাবিই আবহমান বাংলার দুর্গাপূজার পোশাকের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। 

পূজার প্রথম দিন হালকা রংয়ের পাঞ্জাবি ও পায়ে আরামদায়ক ফিতে যুক্ত স্যান্ডেল পরতে পারেন। শেষ দুদিন জমকালো পাঞ্জাবি, ফতুয়া বাছাই করতে পারেন। চাইলে ধুতির সঙ্গেও পরতে পারেন পাঞ্জাবি।

ট্যাগ: bdnewshour24 পূজা