banglanewspaper

আলফাজ সরকার আকাশ, শ্রীপুর(গাজীপুর) প্রতিনিধিঃ গাজীপুরের শ্রীপুরে উপজেলা পরিষদের কাজের বিলের একটি ফাইলে সই নিয়ে এলজিইডির উপসহকারী প্রকৌশলী ও হিসাবরক্ষণ অফিসারের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। 

১ অক্টোবর বিকেলে এলজি ইডির উপজেলা প্রকৌলীর কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। 

উপজেলা প্রকৌশলী অফিসের হিসাবরক্ষণ অফিসার খোরশেদ আলম খান জানান, উপজেলা পরিষদের ৪টি রাস্তার কাজ পায় নুরুল আমীনের মের্সাস সাকিব এন্টারপ্রাইজ। এ কাজগুলোর বিলের কাগজপত্র দেন বরমী ইউনিয়ন পরিষদের ১ নং ওয়ার্ড সদস্য জাকির হোসেন ।

ওই কাজের বিলের একটি ফাইল গত ৪-৫দিন আগে আমার টেবিলে আসে। তবে সেই বিলের নথিতে ঠিকাদারের প্রেয়ার না থাকাসহ কয়েকটি অসঙ্গতি পাওয়ায় আমি সই করিনি। আজ বিকেলে দুইজন বহিরাগত নিয়ে উপজেলা উপসহকারী প্রকৌশলী মাকসুদুল হক ওই নথিতে সই কেন দেইনি বলে ধমক দিতে থাকে। আমাকে রশি দিয়ে বেধে রাখা হবে বলে বলতে থাকে। এক পর্যায়ে উনার সাথে থাকা দুইজন আমাকে এলোপাতাড়ি ঘুষি মারে।

হাতাহাতির ঘটনা অস্বীকার করে এলজিইডি উপজেলা উপসহকারী প্রকৌশলী মাকসুদুল হক জানান, নথিতে সই না দেয়া নিয়ে শুধু কথা কাটাকাটি হয়েছে। এক পর্যায়ে সে আমাকে মারার জন্য চেয়ার উঁচিয়ে এগিয়ে আসে।

এ বিষয়ে বরমী ইউনিয়ন পরিষদের ১নং ওয়ার্ড সদস্য  জাকির হোসেন জানান, আমি ওই কাজ সাব কন্ট্রাক নিয়েছি। বিলের জন্য কাগজ জমা দেয়ার ২ মাস গেলেও এখনো তা ফয়সালা হয়নি।

মের্সাস সাকিব এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারীর নুরুল আমিন মুঠোফোনে জানান, আমি গত ১ মাস আগেই প্রেয়ার দিয়েছি। এখন হিসাবরক্ষণ অফিসার বলে দেয়া হয়নি।

বরমী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্জ্ব শামসুল হক  বাদল সরকার জানান, বিল জমা দেয়ার দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও নথিতে সই না দেয়ার বিষয়টি কিছুটা রহস্যময় মনে হচ্ছে ।  

এ বিষয়ে সদ্য বদলি হওয়া উপজেলা প্রকৌশলী শরীফুজ্জামান মুঠোফোনে জানান, ‘হাতাহাতির বিষয়টি আমি অবগত নই। আগামীকাল অফিসে এসে বিষয়টি খোঁজ নিয়ে বিস্তারিত জানাতে পারবো।’

ট্যাগ: bdnewshour24 শ্রীপুর