banglanewspaper

জাতীয় দলে খেলার সুযোগ খুব কমই আসে। আর সুযোগ পেলে নিজের সেরাটা দিয়ে প্রমাণ করেন, ইমরুল কায়েস এখনও ফুরিয়ে যাননি। এই তো শেষ হওয়া ইংল্যান্ড বিশ্বকাপের দল থেকে বাদ পড়ায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্রিকেট বোর্ডের সমালোচনা কম হয়নি।

বিশ্বকাপের পর শ্রীলঙ্কায় তিন ওয়ানডের সিরিজে খেলা হয়নি তার। কিন্তু ঘরের মাঠে আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্ট আর ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য প্রাথমিক দলে জায়গা হয়েছিল ইমরুলের।

কিন্তু অনুশীলন ক্যাম্পে থাকতে পেরেছিলেন কেবল একদিন। এরপর আর অনুশীলন চালিয়ে যেতে পারেননি তিনি। খোঁজ নিলে জানা যায়, ছেলের অসুস্থতার কারণে ক্যাম্পে নেই তিনি।

কি এমন অসুখ হয়েছিল ছেলে শোয়েবের সেটা জানালেন আজ বুধবার বিসিবির একাডেমি মাঠে অনুশীলন করতে এসে।
অনুশীলন ক্যাম্প চলাকালীন জানান, ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হন ছেলে শোয়েব। এরপর দেশে, দেশের বাইরে হসপিটালে ছোটাছুটিতে সময় কেটেছিল এই ওপেনারের।
‘ছেলের ডেঙ্গু হয়ছিলো। স্বাভাবিক ভাবেই নরমাল একটা রোগ। এর জন্য স্কয়ার হসপিটালে ভর্তিও করলাম। ডেঙ্গু ঠিক হয়ে যাবার পর যেদিন রিলিজ হয়ে যাবে হসপিটাল থেকে ওইদিনই দেখি আবার জ্বর। পুরো শরীরে র‍্যাশ হয়ে গেছে, ফুলে গেছে খুব। ভয়ানক একটা অবস্থা।’

এমন অবস্থা দেখে ডাক্তাররাও বুঝে উঠতে পারছিল না, কি হয়েছে আসলে। তখনই দেশের বাইরে নিয়ে যাবার কথা মাথায় আসে ইমরুলের।

‘ডাক্তাররা ধরতে পারছিলেন না আসলে সমস্যাটা কী। যেহেতু ডেঙ্গু ঠিক হয়ে গেছে। পরে আসলে ডাক্তাররা যখন ফাইন্ডআউট করতে পারছে না, তখন ফাইনালি ডিসিশন নিইয়েছিলাম দেশের বাইরে নিয়ে যাব।’

কিন্তু সেখানেও ছিল ঝামেলা। একদিনের ভেতরই ওকে নিয়ে যেতে হয়েছে সিঙ্গাপুর। ভিসা সমস্যা ছিল। এই ব্যপারে বিসিবি প্রধান নাজমুল হাসান পাপন সাহায্য করেছিলেন ইমরুলকে।

‘অবস্থা এমন হয়েছিল যে, ওইদিনই একটা ইনজেকশন দেয়া লাগতো। লেট হয়ে গেলে খুব প্রবলেম হতো। পাপন ভাই আমাকে খুব হেল্প করছে ভিসার জন্য। একদিনের ভেতর ভিসা করে দিয়েছিলেন তিনি।’
সবকিছুর আগে পরিবার। আমার খেলার জন্য ছেলে যদি অসুস্থ হয়ে যায়। তাহলে এতো কষ্ট করে তো লাভ নাই। যোগ করেন ইমরুল কায়েস।

ট্যাগ: bdnewshour24 ইমরুল কায়েস