banglanewspaper

শেষবিদায় দিতে আসা শোকাহত বন্ধু ও স্বজনদের হাসতে বাধ্য করলেন বুদ্ধিদীপ্ত আইরিশ বৃদ্ধ। খ্রিস্টীয় ধর্মরীতি মেনে কবর দেওয়ার পর কফিন থেকে ওই বৃদ্ধের কণ্ঠস্বর শুনতে পেয়ে রীতিমতো হতভম্ব হয়ে পড়েন শেষকৃত্যানুষ্ঠানে উপস্থিত ব্যক্তিরা।

গত ১২ অক্টোবর শ্যায় ব্র্যাডলি নামের ওই সাবেক সেনাসদস্যকে কবর দিতে কবরস্থানে উপস্থিত হন তাঁর বন্ধু ও স্বজনরা। কফিন কবরে রাখার পরপরই ভেতর থেকে ভেসে আসে ব্র্যাডলির কণ্ঠস্বর, ‘আরে, আমাকে বের করো, এখানে প্রচণ্ড অন্ধকার।’

কী হচ্ছে বুঝে উঠতে পারেন না ঘটনার আকস্মিকতায় হকচকিত উপস্থিত অনেকেই। গণমাধ্যম স্কাই নিউজ এ খবর জানিয়েছে।

কফিন থেকে আওয়াজ আসতে থাকে, ‘এ কোথায় আছি আমি? ওটা কার গলা শুনতে পাচ্ছি, পাদ্রির নাকি? আমি শ্যায় বলছি, বাক্সের ভেতর থেকে।’

এরপর গান গাইতে শোনা যায় শ্যায় ব্র্যাডলির গলায় : ‘হ্যালো আবারও হ্যালো, হ্যালো আমি শেষবিদায় বলতে কল করেছি।’ 

শেষ হাসিটা হাসলেন শ্যায়। আর সেইসঙ্গে তাঁকে বিদায় দিতে এসে বন্ধু ও পরিবারের সদস্যরাও চোখের জল ফেলার বদলে হাসিতে ফেটে পড়লেন।

ব্র্যাডলির মেয়ে আন্দ্রিয়া ব্র্যাডলি জানান, তিন বছর ধরে অসুস্থ থাকার পর গত ৮ অক্টোবর তাঁর বাবা মারা যান। এক বছর ধরে শেষবেলার জন্য তুলে রাখা দুষ্টুমির সব পরিকল্পনা করেছিলেন ব্র্যাডলি।

আন্দ্রিয়া বলেন, ‘বাবা সব সময়ই ছিলেন প্রাণোচ্ছল। তিনি ছিলেন ব্যক্তিত্ববান এক পুরুষ।’

‘এক বছর আগে বাবা ও আমার ভাই জনাথন মিলে এসব পরিকল্পনা করে। খুব অল্প কয়েকজন এ ব্যাপারে জানত,’ যোগ করেন আন্দ্রিয়া।

আন্দ্রিয়া আরো জানান, কবর থেকে শ্যায় ব্র্যাডলির কণ্ঠস্বর শুনে শেষকৃত্যানুষ্ঠানে উপস্থিত বেশ কয়েকজন বিস্মিত হয়ে পড়েন। আগেই রেকর্ড করে রাখা শ্যায় ব্র্যাডলির কথাগুলো কবরে বসানো স্পিকারের মাধ্যমে ভেসে আসছিল বলে জানান আন্দ্রিয়া।

ট্যাগ: bdnewshour24 ভিডিও