banglanewspaper

কাজী আশরফ, লোহাগড়া(নড়াইল) প্রতিনিধি: নড়াইলের লোহাগড়ায় স্বামীর হাতে নির্যাতনের শিকার হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক সন্তানের জননী হাসনা হেনা।

তিনি উপজেলার মাকড়াইল গ্রামের আবুল হোসেনের মেয়ে। ৬বছর পূর্বে ইসলামী শরিয়ত মোতাবেক পারিবারিক ভাবে মাগুরা জেলাধীন মোহাম্মদপুর উপজেলার ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের রফিক বিশ্বাসের ছেলে সেলিম মিয়ার সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় হাসনাহেনা। তাদের দাম্পত্ত জীবনে ৪ বছরে একটি কন্যা সন্তান আছে।

হাসনাহেনা ও তাঁর পরিবারের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের জন্য প্রায়ই শারীরিক ভাবে নির্যাতন করত সেলিম। নির্যাতন বন্ধে মেয়ের সুখের কথা ভেবে বাবা আবুল হোসেন জামাইকে এক লাখ টাকা দিয়েছেন।

সেই টাকা সেলিম নষ্ট করার পর আবারও যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে চাপ দেয়। হাসনা হেনা টাকা আনতে অস্বীকৃতি জানালে সোমবার (২১ অক্টোবর) নির্মম ভাবে তাকে মারধর করে সেলিম। পরে পরিবারের সহযোগিতায় ওই দিন সকালে লোহাগড়া হাসপাতালে গিয়ে ভর্তি হয় সে।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে সেলিম মিয়া জানান, আমি বাবার এক মাত্র ছেলে। বাবা মারা যাওয়ার পর থেকে মা কে নিয়ে জীবন যাপন করে আসছি। বিয়ের পর থেকেই মা ও স্ত্রী হেনার সাথে প্রায়ই বিবাদ হত। বিষয়টি আমার স্ত্রী কখনই স্বাভাবিক ভাবে মেনে নিতে পারে নি।

উপায় না পেয়ে আমি ভাড়া বাড়িতে স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে বসবাস করতাম। ঘটনার দিন পারিবারিক বিষয়কে কেন্দ্র করে তার সাথে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে আমি তাকে চড় থাপ্পড় মারি মাত্র।

ট্যাগ: bdnewshour24 যৌতুক