banglanewspaper

মনির হোসেন জীবন, নিজস্ব প্রতিনিধি: আপাদমস্তক একজন আওয়ামী লীগ কর্মী। ছাত্র জীবন থেকেই আওয়ামী রাজনীতির সাথে জড়িত। আওয়ামী লীগের ক্রান্তিলগ্নেও ছিলেন সক্রিয়, ছিলেন রাজপথের একজন বলিষ্ঠ কর্মী। আওয়ামী রাজনীতির সাথে জড়িত থাকার কারণে বার বার কারাবরণ করেছেন, সহ্য করেছেন বিভিন্ন নির্যাতন। তবুও পিছপা হননি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রাজনীতি থেকে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারণ করে শত প্রতিকূলতার মাঝেও এগিয়ে যেতে চান সামনের দিকে, একজন কর্মী হিসেবে সেবা করতে চান সাধারণ মানুষের।

কথাগুলা বলছিলেন, সাভারের আশুলিয়ার শিমুলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী ইউনুছ পালোয়ান। সমসাময়িক নানা বিষয়াদি ও আসন্ন শিমুলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন নিয়ে কথা হয় তার সাথে।

তিনি জানান, ছাত্র থাকাকালীন সময় থেকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রাজনীতির সাথে আমি জড়িত। ১৯৮৬ সালে যখন আমি ম্যাট্রিক পাশ করিনি তখনই আমি আওয়ামী রাজনীতির সাথে জড়িয়ে পরি। পরে মরহুম সামছুদ্দোহা খাঁন মজলিস এর সাথে থেকে নৌকার কর্মী হিসেবে কাজ করেছি। এরপর ১৯৯০ সালে আমি ম্যাট্রিক পাশ করি। পরবর্তীতে সাভার বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে ১৯৯২-৯৪ সালে রাজীব-তুহিন পরিষদের ব্যানারে বহিঃ ক্রীড়া ও আন্তঃ ক্রীড়া সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করি। ১৯৯৪ সালে শিমুলিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি হিসেবে অত্যন্ত নিষ্ঠা ও সততার মাধ্যমে সাংগঠনিক দক্ষতার সাথে ইউনিয়ন ছাত্রলীগকে সুসংগঠিত করি। এরপর ১৯৯৭ সালে শিমুলিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করি। 

এরপর ২০০০-০১ এ আশুলিয়া থানা আওয়ামী যুবলীগের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করি এবং আসন্ন শিমুলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সম্মেলনের মাধ্যমে মূল দলে যোগদান ও সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবো এটাই আমার প্রত্যাশা। ১৯৯১-৯৪ এবং ২০০১-০৬-এ তৎকালীন বিএনপি জোট সরকারের আমলে মঞ্জুরুল আলম রাজীব এর সাথে বারবার নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলেও যোগ করেন ইউনুছ পালোয়ান।

শিমুলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী ইউনুছ পালোয়ান আরও বলেন, তৎকালীন বিএনপি জোট সরকারের আমলে আওয়ামী রাজনীতি করার কারণে বারবার রাজনৈতিক মামলায় আমাকে কারাবরণ করতে হয়েছে। সহ্য করতে হয়েছে নানা নির্যাতন ও হয়রানীর। আওয়ামী রাজনীতি থেকে সড়ে যাওয়ার জন্য তৎকালীন সময়ে মামলা হামলা হুমকি থাকা স্বত্ত্বেও আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারণ করে নির্যাতন, হামলা মামলা সহ্য করেছি তবুও আওয়ামী রাজনীতি থেকে সড়ে আসেনি। 

তিনি আরো বলেন, সমাজে একজন ক্লিন ইমেজের রাজনীতিবিদ হিসেবে আমার সুপরিচিতি আছে। সেই সাথে আমার আরও একটি পরিচয় আছে। সেটি হলো-একজন সফল ব্যবসায়ী হিসেবেও আমার সুনাম রয়েছে। পরিশ্রম আর মেধার মাধ্যমে আমি এই পর্যায়ে আসতে পেরেছি। 

ইউনুছ পালোয়ান বলেন, বাংলাদেশের স্থপতি হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সফল সভানেত্রী, সরকারের প্রধানমন্ত্রী, ডিজিটাল বাংলাদেশর রুপকার দেশরত্ন শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ সারা বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের সরকার যখনই ক্ষমতায় এসেছে দেশে রাস্তা-ঘাট, শিক্ষা, খাদ্যা সবোর্পুরি সার্বিকভাবেই উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। 

দেশ আজ তথ্য প্রযুক্তিতে বিশ্বের অন্যান্য উন্নত দেশের সাথে তাল মিলিয়ে চলছে। তিনি বলেন, দেশরত্ন শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বের কারণেই বাংলাদেশ আজ উন্নতির উচ্চ শিখরে পৌঁছাচ্ছে।

তিনি আরো যোগ করেন, বাংলাাদেশের রুপকার দেশরত্ন শেখ হাসিনার সুযোগ্য পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের সূদুর প্রসারী পরিকল্পনায় দেশে তথ্য প্রযুক্তির আমুল পরিবর্তন ঘটেছে। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষজন এখন হাতের নাগালে তথ্য প্রযুক্তি সেবা পাচ্ছে। তার সঠিক নেতৃত্বে দেশের সকল শ্রেণী পেশার মানুষ নির্বিঘ্নে সারাবিশ্বের খবরা খবর এক নিমিষেই পাচ্ছে। ভবিষ্যত নেতৃত্বের সুযোগ্য কান্ডারী সজীব ওয়াজেদ জয়ের সার্বিক দিক নির্দেশনায় আমি সাধারণ মানুষদের পাশে নিয়ে থাকবো।

ছোট বেলা থেকে স্বপ্ন দেখতাম সাধারণ মানুষের জন্য কিছু করবো। সে হিসেবে যখন যেভাবে পেরেছি চেষ্টা করেছি মানুষের সেবা করতে। সাধারণ মানুষের দু:খ দুর্দশার কথা শোনে তাদের কাছে ছুটে গিয়েছি। যেখানে অন্যায় অবিচার দেখেছি সেখানে প্রতিবাদ করেছি।

পরিচিতিঃ
ই্উনুছ পালোয়ান ঢাকা জেলার সাভার উপজেলাধীন আশুলিয়া থানার শিমুলিয়া ইউনিয়নের কলতাসূতী এলাকার সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবার পালোয়ান বংশের সন্তান। তার বাবা মৃত অজন পালোয়ান এবং মাতা মানিকজান বিবি। তিনি নয় ভাই বোনের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ। ব্যাক্তি জীবনে তিনি বিবাহিত। তিনি দুই কন্যা সন্তানের জনক।

ট্যাগ: bdnewshour24 সাভার