banglanewspaper

বাজারে উঠতে শুরু করেছে নতুন পেঁয়াজ। মিয়ানমার ও মিশর থেকে আমদানি করা পেঁয়াজেও সয়লাব বাজার তবুও ঝাঁজ কমছে না পেঁয়াজের।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পাইকারি বাজারে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১২৫ টাকা কেজিতে। আমদানি করা পেঁয়াজ কেজিতে বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১১০ টাকায়। বাজারে উঠা হালি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকায়। নতুন এই হালি পেঁয়াজ বাজারে কোন প্রভাব ফেলেনি।

জানা গেছে, আড়াতদাররা দেশি পেঁয়াজ মজুত করার ফলে সেগুলো পচে যাওয়ার পাশাপাশি চারা গজাতে শুরু করেছে তবুও দাম কমাচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা।

যে কারণে খুচরা বাজারে পেঁয়াজ ছুঁয়েছে দেড়'শ টাকা কেজি। বাজারে দেশি পেঁয়াজের সঙ্গে আমদানি করা পেঁয়াজের পর্যাপ্ত যোগান থাকা সত্বেও দাম কমছে না।

সকালে রাজধানীর উপকণ্ঠ সাভারের গেন্ডার পাইকারি বাজারে গিয়ে দেখা যায়, নতুন পেঁয়াজ উঠতে শুরু করলেও দামে হেরফের হয়নি। বাজারে এর কোনো প্রভাব ফেলেনি- বলছিলেন অরূন কুমার শীল।

পেঁয়াজ কিনতেই খরচ হয়ে যাচ্ছে বাজারের অর্ধেক টাকা। বাজার ব্যবস্থাপনা এভাবে আমাদের নাগালের বাইরে চলে গেলে আমরা চলবো কি করে? - আক্ষেপ অরূনের।

পেঁয়াজের দাম নিয়ে মোবারক হোসেন নামের এক আড়তদার বলেন, আসলে সমস্যাটা ক্রেতাদের। পেঁয়াজের দাম বাড়তে পারে এ কথা শোনার পর ক্রেতারা বাড়তি পেঁয়াজ কেনায় বাজারে এর প্রভাব পড়েছে।

তিনি বলেন, পেঁয়াজের দাম কমার লক্ষণ এখনো দেখা যাচ্ছে না। ফরিদপুর আর রাজবাড়ী মোকামে ১২০ টাকা কেজিতে পেঁয়াজ কেনা পড়ে। তার সঙ্গে শ্রমিক, পরিবহন, কুলি, বাজারের ইজারা দিয়ে কেজিতে বাড়তি আরও সাড়ে তিন টাকা খরচ।

সুজাত আলী নামে এক ব্যবসায়ী ফ্যানের বাতাস খাইয়ে যেভাবে পেঁয়াজের যত্ন আত্তি করছিলেন, গত সাতদিনে নিজের গতরেরও এতো যত্ন নেননি।

তিনি বলেন, পেঁয়াজের যত্ন নিমু না আবার! এক কেজি নষ্ট হইলেই ১০০ টাকা লস! এমনিতেই ফাপড়ে আছি। ৪০ কেজিতে গড়ে ৪ কেজি নষ্ট পেঁয়াজ। - সুজাতের এই বক্তব্যের বাস্তবতা মেলে বাজারে।

সর্বোচ্চ দামের পণ্যের মর্যাদা নিয়ে পেঁয়াজ নিজের অবস্থান থেকে নড়চড় করেনি এতটুকুও। বরং সব উদ্যোগকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে দাম বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে।

ট্যাগ: bdnewshour24 পেঁয়াজ