banglanewspaper

রাজধানীর মিরপুর মডেল থানার কোরিয়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সামনে থেকে চারটি আগ্নেয়াস্ত্রসহ হাফিজুর রহমান নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা (উত্তর)বিভাগ। অবৈধ পথে ভারত থেকে এসব অস্ত্র আনা হতো। এর আগেও হাফিজুর অবৈধ পথে অস্ত্র এনেছেন। ভারত থেকে আনা এসব অস্ত্র সন্ত্রাসী কার্যকলাপ, জঙ্গি গোষ্ঠী, রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টিসহ নানা ধরনের নাশকতামূলক বা সন্ত্রাসী কার্যকলাপে ব্যবহৃত হয়।

মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে ডিবির উপ-কমিশনার মশিউর রহমান সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, সোমবার (৪ নভেম্বর) রাত ১০টার দিকে কোরিয়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সামনে থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় তার কাছ থেকে চারটি  বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র ও ১৭ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃত হাফিজুর রহমান তার সহযোগী হাবিবুর রহমান বিশ্বাস ও জিল্লুরের মাধ্যমে ভারত থেকে  বেনাপোল দিয়ে চোরাই পথে অবৈধ অস্ত্র-গুলি বাংলাদেশে আমদানি করে। অস্ত্র-গুলি প্রথমে বিহার থেকে কলকাতার অস্ত্র ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় যেকোনও গোপন স্থানে রাখে। পরে বাংলাদেশি অস্ত্র ব্যবসায়ীদের প্রয়োজন মতো ও দরদাম করে চূড়ান্ত হলে তারা উত্তর চব্বিশ পরগনা সীমান্তবর্তী গ্রাম আংরাইল ও পুটখালীর নদীর তীরে গোসল করার কৌশলে বাংলাদেশের সীমান্তে অবৈধ ভাবে নিয়ে আসে। তারপর সুযোগ বুঝে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অস্ত্র সীমান্তের গোপন স্থান থেকে গন্তব্যে পৌঁছে দেয়।

তিনি আরও বলেন, হাবিবুরের মাধ্যমে ভারতের উত্তরা চব্বিশ পরগনার বনগ্রাম গ্রামের জাহাঙ্গীরের সঙ্গে যোগাযোগ করলে জাহাঙ্গীর প্রত্যেকটি অস্ত্রের জন্য ৩০ হাজার করে টাকা নিয়ে থাকে। যার বিনিময়ে জাহাঙ্গীর ভারত হতে উক্ত অস্ত্রগুলো  সরবরাহ করে থাকে। সরবরাহকৃত অস্ত্র বাংলাদেশে এনে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে  উচ্চ দামে বিক্রয় করে।

এ ঘটনায় মিরপুর মডেল থানায় মামলা করা হয়েছে।

ট্যাগ: bdnewshour24 জঙ্গি