banglanewspaper

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার মন্দবাগ রেলস্টেশনে তূর্ণা-নিশীথা ও উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেনের সংঘর্ষের ঘটনায় তূর্ণা নিশীথা ট্রেনের চালক (লোকো মাস্টার), সহকারী চালক (সহকারী লোকো মাস্টার)ও একজন গার্ডসহ মোট তিনজনকে বরখাস্ত করা হয়েছে। তবে দূর্ঘটনার পর থেকে চালক তাছেন উদ্দীন ও সহকারী অপু দেবকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

মঙ্গলবার সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান কসবা রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার জাকের হোসেন।

তিনি জানান, সোমবার দিবাগত রাত পৌনে ৩টার দিকে দুই ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এসময় ট্রেনের ইঞ্জিন চালু রেখেই তূর্ণা নিশীথার চালক ও সহকারী চালক উধাও হয়ে যান। পরে সকাল ৮টার দিকে উদ্ধারকারী ট্রেন এসে তূর্ণা নিশীথার ইঞ্জিন বন্ধ করে।

স্টেশন মাস্টার জাকের হোসেন, দুর্ঘটনার পর তারা পালিয়ে কোথায় গেছেন তা জানা যায়নি। ট্রেনের চালক ও সহকারী চালকের পরিবার ও আত্মীয়স্বজনরা তাদের খোঁজে রেলওয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত তাদের সন্ধান পাওয়া যায়নি।এদিকে কসবার মন্দবাগ রেলস্টেশনে তূর্ণা নিশীথা ও উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন। মঙ্গলবার সকাল পৌনে ১১টায় তিনি ঘটনাস্থলে পৌঁছেন। এ সময় রেলমন্ত্রী বলেন, তূর্ণা নিশীথার লোকো মাস্টারের (চালক) ভুলেই এ দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। এ ঘটনায় ওই ট্রেনের লোকো মাস্টার, সহকারী লোকো মাস্টার ও ওয়ার্কিং গার্ডকে সাসপেন্ড (সাময়িক বরখাস্ত) করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত মোট পাঁচটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এর মধ্যে রেলওয়ে বিভাগ গঠন করেছে চারটি তদন্ত কমিটি এবং জেলা প্রশাসক একটি।

প্রসঙ্গত, সোমবার রাত পৌনে ৩টার দিকে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী তূর্ণা নিশীথা আর সিলেট থেকে ছেড়ে আসা চট্টগ্রামগামী উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেনের সংঘর্ষে কয়েকটি বগি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে ১৬ জন নিহত ও শতাধিক আহত হয়েছেন।

ট্যাগ: bdnewshour24 ট্রেন