banglanewspaper

আইন না মানা আমাদের সংস্কৃতি হয়ে গেছে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, ‘কেউ আইন মানতে চায় না। যদি সবাই আইন মেনে চলে তবে কোনও সমস্যা থাকে না।’

বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর শান্তিনগরে রাজারবাগ পুলিশ অডিটরিয়ামে আয়োজিত ট্রাফিক সচেতনতামূলক পক্ষ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘শুধু ট্রাফিক আইন নয়, সব পর্যায়ে সবাই আইন মেনে চললে অপরাধ অনেক কমবে। সব পর্যায়ে আইন মেনে চলার সংস্কৃতি চালু হোক, এটাই আমার চাওয়া।’

তিনি বলেন, ‘মহাসড়কে যারা বাস-ট্রাক চালায়, তাদের দীর্ঘক্ষণ গাড়ি চালাতে হয়। তাই তাদের নির্দিষ্ট সময় পর বিশ্রামের প্রয়োজন। একটা চালক আট ঘণ্টা গাড়ি চালানোর পর তাকে বাধ্যতামূলক বিশ্রাম নিতে হবে। মহাসড়কে বিভিন্ন জায়গায় চালকদের বিশ্রামের জন্য বিশ্রামাগার তৈরির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা রয়েছে।’

সড়কে আইন প্রয়োগ করতে গেলে পুলিশ কর্মকর্তাদের অনেকেই বড় হিসেবে পরিচয় দেয় এবং বদলির হুমকি দেয় উল্লেখ করে পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী বলেন, ‘পুলিশের কেউ যদি সড়কে আইন প্রয়োগ করে তবে এর জন্য কোনও কর্মকর্তা বদলি হবেন না। আমি এটা আশ্বস্ত করছি। তবে সবার ব্যবহার বিনয়ী হতে হবে।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘শ্রমিকদের ৯ দফা দাবি সড়ক পরিবহনমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হয়েছে। কোথাও অসঙ্গতি থাকলে যাচাই-বাছাই করে দেখা হবে। সড়ক নিরাপদ রাখতে কি কি করা যায় তা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী চিন্তা করছেন।’

লাইসেন্স প্রদানে সিস্টেমগত জটিলতার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘চালকদের লাইসেন্স প্রদানে সিস্টেমগত জটিলতা ছিল বিধায় আইন প্রয়োগে শিথিলতার সময় বাড়ানো হয়েছে। সড়ক সবার জন্য নিরাপদ করতে, শৃঙ্খলা ফেরাতে, আইনের বাস্তবায়ন করতেই হবে।’

গত মঙ্গলবার সকাল থেকে নতুন সড়ক পরিবহন আইন সংশোধন ও কিছু ধারা বাতিলের দাবিতে ট্রাক-কাভার্ডভ্যানে পণ্য পরিবহন বন্ধ রাখে মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদ। বুধবার রাত সাড়ে ৯টা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে বৈঠকের পর অবরোধ প্রত্যাহার করে সংগঠনটি। এরপর পণ্য পরিবহন শুরু হয়েছে।

ট্যাগ: bdnewshour24 স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী