banglanewspaper

মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) জন্মগ্রহণ করেছিলেন তৎকালীন মক্কার সম্ভ্রান্ত কুরাইশ বংশে। এই কুরাইশ বংশ পূজা-পার্বণের জন্য তৎকালে ব্যবহৃত কাবাঘরের তত্ত্বাবধান করত, যা ছিল আরবদের কাছে গর্বের বিষয়।

এই বংশের উত্তরাধিকারী হিসেবে ধনসম্পদ গড়ার অনেক সুযোগ ছিল মহানবী (সা.)-এর। তা ছাড়াও ইসলাম প্রচার বন্ধের বিনিময়ে অকল্পনীয় ধনসম্পদ, জমি-জিরাত ও ভোগবিলাসের অসংখ্য প্রস্তাব দিয়েছিল ইসলামের শত্রুরা।

কিন্তু বিশ্বনবী (সা.) সব কিছু উপেক্ষা করে এমনকি নিজের এবং নিজ পরিবারের সদস্যদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ইসলাম প্রচারে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ও সচেষ্ট ছিলেন। তদুপরি তাঁর যা কিছু সম্পদ ছিল, তার সবই তিনি প্রতিনিয়ত দান করে দিতেন। ফলে মৃত্যুর আগে তেমন কিছুই রেখে যাননি একান্ত সাদামাটা জীবনে অভ্যস্ত এবং অতি অল্পে সন্তুষ্ট বিশ্বের সর্বকালের সেরা মানুষ হজরত মুহাম্মদ (সা.)।

তদুপরি যৎসামান্য যা-ই তিনি রেখে গিয়েছিলেন, তা নিয়ে শিরক বা বেদাত হতে পারে বিধায় তা গোপন করার বহু ঘটনা ঘটেছে। ওহাবি আন্দোলনের সময় এমন বহু ঘটনার বিবরণ পাওয়া যায়। তাই পৃথিবীর বুকে নিতান্ত সাধারণ জীবনে অভ্যস্ত মহানবীর (সা.) স্মৃতি স্মারকের সংখ্যা খুবই নগণ্য।

মেজর নাসির উদ্দিন আহাম্মেদ (অব.) পিএইচডি

ট্যাগ: bdnewshour24 সাদামাটা মহানবী (সা.)