banglanewspaper

গাইবান্ধায় ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন হত্যা মামলায় প্রধান আসামি সাবেক জাতীয় পার্টির সাবেক সাংসদ কর্নেল (অব.) আব্দুল কাদের খানসহ সাতজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত।
আজ  বৃহস্পতিবার গাইবান্ধা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক দিলীপ কুমার ভৌমিক এ রায় ঘোষণা করেন।

এ হত্যা মামলায় প্রধান অভিযুক্ত কাদের খানকে ২০১৭ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বগুড়ার বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর থেকে তিনি গাইবান্ধা জেলা কারাগারে রয়েছেন। অন্য আসামিদের মধ্যে তার পিএস শামছুজ্জোহা, গাড়িচালক হান্নান, ভাতিজা মেহেদি, শাহীন ও রানা একই কারাগারে বন্দি।

আসামি সুবল চন্দ্র রায় কারাগারে মারা গেছেন। পলাতক রয়েছেন আসামি চন্দন কুমার রায়।

রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আজ জেলা ও দায়রা জজ আদালত প্রাঙ্গণে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। আদালতের বাইরে আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মী আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে ব্যানার-ফেস্টুনসহ অবস্থান নেন।

২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় সুন্দরগঞ্জের বামনডাঙ্গার মাস্টারপাড়ার নিজ বাড়িতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হন গাইবান্ধা-১ আসনের তৎকালীন সাংসদ মঞ্জু রুল ইসলাম লিটন।

এ ঘটনায় পরদিন ২০১৭ সালের ১ জানুয়ারি লিটনের বড় বোন ফাহমিদা কাকলি বুলবুল বাদী হয়ে অজ্ঞাত ৫-৬ জনকে আসামি করে সুন্দরগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেন। পুলিশ তদন্ত শেষে ওই বছরের ৩০ এপ্রিল সাবেক এমপি কাদের খানসহ আটজনের বিরদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়।

প্রায় ১৮ মাস রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের সাক্ষ্য-প্রমাণ ও যুক্তিতর্ক শেষে গত ১৮ নভেম্বর আদালত রায় ঘোষণার জন্য আজকের দিনটি নির্ধারণ করে।

আর লিটন হত্যায় ব্যবহৃত গুলিভর্তি পিস্তল উদ্ধারের পর পুলিশ অস্ত্র আইনে আরেকটি মামলা করে। এই মামলায় একমাত্র আসামি কাদের খানকে গত ১২ জুন যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয় আদালত।

ট্যাগ: bdnewshour24 মৃত্যুদণ্ড