banglanewspaper

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে জানুয়ারির মধ্যেই ভোট গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ নির্বাচনে বিদ্যমান ভোটার তালিকাই ব্যবহার করা হবে। দুই সিটিতেই ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার করা হবে।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ৫৩তম সভার কার্যবিবরণীতে এসব সিদ্ধান্ত উঠে এসেছে। তবে কমিশনের ওই সভায় ভোটের সময়সূচি ঠিক করা হয়নি। তবে কমিশন সভায় ভোটগ্রহণ নিয়ে ১২টি সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব জানিয়েছেন, ডিসেম্বরের শেষে দুই সিটির তফসিল ও জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে ভোটগ্রহণ হবে। ইসি সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, ২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিল একইদিন ঢাকার দুই সিটি ও চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন করা হলেও কমিশনের এ সভায় ঢাকার দুই সিটিতে একইদিন ও চট্টগ্রাম সিটিতে পৃথক দিনে ভোটগ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়েছে। চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনের তফসিলের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

এদিকে ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে খসড়া ভোট কেন্দ্রের তালিকা প্রায় চূড়ান্ত করেছে কমিশন সচিবালয়। খসড়ায় ঢাকা উত্তর সিটিতে ১ হাজার ৩১৮টি কেন্দ্র ও ৭ হাজার ৮৪৪টি ভোটকক্ষ রয়েছে। এ সিটিতে সম্ভাব্য ভোটার ৩০ লাখ ৩৫ হাজার ৬২১ জন।

অপরদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে খসড়া ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১ হাজার ১৫০টি ও ভোটকক্ষ ৬ হাজার ৬২২টি। দক্ষিণ সিটির সম্ভাব্য ভোটার ২৪ লাখ ৫৪ হাজার ৮৮৬ জন। কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিদ্যমান ভোটার তালিকায়ই দুই সিটিতে ভোট হবে। ফলে ভোটার তালিকা হালনাগাদে অন্তর্ভুক্ত নতুন ভোটাররা ভোট দিতে পারবেন না।

ঢাকার দুই সিটির ভোট নিয়ে ইসির সিনিয়র সচিব মো. আলমগীর যুগান্তরকে বলেন, কমিশনের নির্দেশনা পেয়েছি। ওই নির্দেশনার আলোকে প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। তফসিল নিয়ে তিনি বলেন, জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে ভোটগ্রহণ ও ডিসেম্বরের শেষ দিকে তফসিল ঘোষণা করা হবে। তফসিল থেকে ভোটগ্রহণ পর্যন্ত ৪২ থেকে ৪৩ দিন সময় হাতে রাখা হবে।

জানা গেছে, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নুরুল হুদার সভাপতিত্বে ৫৩তম সভা ৩১ অক্টোবর মুলতবি দিয়ে ৩ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভা শেষে ১৮ নভেম্বরের পর যে কোনো দিন তফসিল ঘোষণার কথা জানিয়েছিল ইসি।

নভেম্বর পার হলেও তফসিল ঘোষণা করেনি কমিশন। আগামী সপ্তাহে কমিশনের সভা হতে যাচ্ছে। ওই সভায় সিটি নির্বাচন নিয়ে এজেন্ডা রাখা হয়নি। সূত্র বলছে, ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা কমিশন সভার প্রয়োজন হবে না। এটি নথিতে পাস হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

ট্যাগ: bdnewshour24 ঢাকা সিটি জানুয়ারি