banglanewspaper

কেন্দুয়া (নেত্রকোণা) প্রতিনিধি: নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও একই অফিসের সার্ভেয়ারের বিরুদ্ধে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে আদালতে বিচারাধীন মামলার ভূমি অন্যদেরকে অন্যদেরকে লিজ পাইয়ে দেয়ার অভিযোগ করেছেন ভূক্তভোগী ভূমির মালিক মোছলেহ উদ্দিন ও আতাউর রহমান।

বৃহস্পতিবার বিকালে কেন্দুয়া প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে তারা এই অভিযোগ করেন। ভূক্তভোগীরা সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলেন-রোয়াইলবাড়ি আমতলা ইউপি সংলগ্ন সাবেক ২৫৯ দাগের দুইশতক ভূমি ক্রয়সুত্রে মালিক হয়ে প্রায় একযুগ ধরে ভোগ দখল করে আসছিলেন তারা।

তাদের দলীল দাতা হেলাল উদ্দিনের ২৫৯ দাগ নম্বরটি থেকে ৮২৪,৮২৫ ও ৮২৬ দাগে বিভাজন হয়। আমাদের দখলীয় ভূমি ভূলক্রমে ৮২৬ এর পরিবর্তীতে ৮২৪ অর্ন্তভূক্ত হয়। ৮২৪ দাগে সরকারি স্থাপনা ইউপি ভবন রয়েছে আর ৮২৫ ও ৮২৬ দাগ দু’টি খাস খতিয়ান ভূক্ত হয়।

এ অবস্থায় রেকর্ড সংশোধনের জন্য ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইবুনালে মামলা দায়ের করেন তারা। যার মুকাদ্দমা নং-৬৭৯৮/২০১৫। বিগত কয়েক মাস আগে ওই ভূমি লিজ দেয়ার পায়তারা চালানোর বিষয়টি টের পেয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শিরিন সুলতানার কাছে যান এবং এই ভূমি নিয়ে ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইবুনালে মামলা দায়ের করার বিষয়টি জানানো হলে তিনি তাদেরকে জানান মামলা বিচারাধীন থাকলে এই জমি কাউকে দখল বা লিজ দেয়া কোন বিধান নেই।

কিন্তু পরিতাপের বিষয় হটাৎ করে গত ১ ডিসেম্বর সন্ধ্যাবেলায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শিরিন সুলতানা ও সার্ভেয়ার রেজাউল করিম পুলিশ নিয়ে এসে আমার দোকান ঘর ভেঙ্গে জহিরুল ইসলাম ও কামাল হোসেন নামে দুইজনকে দখল দিয়ে যান।

এসময় আমাদের কোন কথা বলার বা দোকানের মালামাল সরানো সুযোগ তো দেয়নি আরো গ্রেফতার করার হুমকী দেন তারা। এসময় নব্য দখলদারা দোকানের সব মালামাল লুটে নিয়ে যায়। এতে তাদের লক্ষাধিক টাকার সম্পদ সম্পদ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানায় ভূক্তভোগীরা।

বিষয়টি উর্ধ্বন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছেন ভূক্তভোগী দোকান মালিক।

এদিকে এই ভূমি নিয়ে ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইবুনালে মামলা দায়ের কথা স্বীকার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শিরিন সুলতানা জানান, ‘আদালত থেকে লিজ না দিতে কোন নির্দেশনা ছিল না। আর দখল নিতে পূর্বের মালিকদের নোটিশের প্রয়োজন ছিল না বলে জানান তিনি।’

ট্যাগ: bdnewshour24 কেন্দুয়া এসিল্যান্ড