banglanewspaper

জাতীয় কর্মসূচির সঙ্গেই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী পালন করবে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। দলটির নেতারা বলছেন, জাতির জনকের জন্মশত বার্ষিকী জাতীয়ভাবেই পালন হওয়া উচিত।এজন্য দু’টি জাতীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি দু’টির করণীয় ঠিক করা হয়েছে। তবে দলীয়ভাবেও কিছু কর্মসূচি পালন করা হবে। এছাড়া যেসব প্রবীণ নেতাকর্মীরা বিভিন্ন সময়ে বঙ্গবন্ধুর সংস্পর্শে  এসেছিলেন আওয়ামী লীগ তাদেরও সংবর্ধনা দেবে।

আগামী বছর (২০২০) বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী পালিত হবে। আগামী ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস থেকে শুরু হবে এ ক্ষণ গণনা। এক বছর ধরে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে এটি পালন করা হবে।

১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্ম নিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু। তার জন্মের ১০০ বছর জাঁকজমকভাবে পালনের সিদ্ধান্ত নেয়  আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকে। এরপরই এ বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি জাতীয়ভাবে দু’টি কমিটি গঠন করা হয়। এর একটি হলো ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী উদযাপন জাতীয় কমিটি’। ১০২ সদস্যবিশিষ্ট এ কমিটির সভাপতি করা হয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এবং প্রধান সমন্বয়কের দায়িত্ব পান প্রধানমন্ত্রীর সাবেক মুখ্য সচিব ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী। অপরটি  ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী উদযাপন বাস্তবায়ন জাতীয় কমিটি’। যার সভাপতি করা হয় জাতীয় অধ্যাপক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামকে এবং এটারও প্রধান সমন্বয়ক ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী। এ দু’টি কমিটির মধ্যে আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতা, মন্ত্রী, এমপি, শিক্ষক, শিল্পী-সাহিত্যিক এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিরা হয়েছেন। আছেন সরকারের শরিক দলগুলোর শীর্ষ নেতারাও। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের একটি অস্থায়ী কার্যালয়ে চলছে বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী উদযাপনের প্রস্তুতি।

এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ‘জাতির জনকের জন্মশত বার্ষিকী জাতীয়ভাবেই পালন করা উচিত। কেননা বঙ্গবন্ধু সবার। এজন্য যে দু’টি কমিটি গঠন করা হয়েছে তাতে আওয়ামী লীগের পাশাপাশি অন্যান্য দলের নেতারাও রয়েছেন। এ কমিটি দু’টি যে কর্মসূচি দেবে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরাও সেগুলো পালন করবে।’

জন্মশত বার্ষিকী উদযাপন কমিটির সমন্বয়ক ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী ৪ ডিসেম্বর মতবিনিময়ের সময় জানান, বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকীর ক্ষণ গণনা বা কাউন্ট ডাউন শুরু হবে আগামী ১০ জানুয়ারি থেকে। পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে ১৯৭২ সালের এই দিনে বঙ্গবন্ধু দেশে ফেরেন। দিনটি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস হিসেবে পালন করা হয়।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, ‘দল জাতীয় কর্মসূচির সঙ্গে একাত্ম হয়ে জাতির জনকের জন্মশত বার্ষিকী পালন করবে। এ উপলক্ষে  দেশব্যাপী যেসব প্রবীণ নেতাকর্মী বিভিন্ন সময়ে বঙ্গবন্ধুর সংস্পর্শে এসেছিলেন বা তার সঙ্গে কাজ করেছিলেন তাদের সংবর্ধনা দেওয়ার জন্য একটি তালিকা করা হয়েছে।’

তিনি  বলেন, ‘এখন দলের বিভিন্ন পর্যায়ের সম্মেলন চলছে। সম্মেলন শেষ হলে দলীয়ভাবে আরও কর্মসূচি নেওয়া হতে পারে।’

ট্যাগ: bdnewshour24 জন্মশত বার্ষিকী