banglanewspaper

আজ ১১ রবিউস সানি সোমবার (৯ ডিসেম্বর) পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম। সারা দেশে যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদায় ও ভাবগাম্ভীর্যে দিবসটি পালিত হবে। বড়পীর হজরত আবদুল কাদের জিলানির (রা.) ওফাত দিবস বিশ্বের মুসলমানদের কাছে ‘ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম’ নামে পরিচিত।

‘ইয়াজদাহম’ ফারসি শব্দ, যার অর্থ এগারো। ‘ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম’ বলতে রবিউস সানি মাসের এগারো তারিখের ফাতেহা শরিফকে বোঝায়।

হযরত আবদুল কাদের জিলানি বড়পীরকে সব আউলিয়ায়ে কেরামের সর্দার হিসেবে গণ্য করা হয়। ৫৬১ হিজরীর ১১ রবিউস সানী আধ্যাত্মিক জগতের এ মহান সাধক কোটি কোটি ভক্ত অনুরক্তকে শোক সাগরে ভাসিয়ে দুনিয়া থেকে পর্দা করেন।

হযরত মহিউদ্দীন আবদুল কাদের জিলানী (রা.) ছিলেন মহানবী হযরত মুহাম্মদ মোস্তাফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অধস্তন বংশধর। তিনি ৪৭০ হিজরি মোতাবেক ১০৭৭ ঈসায়ী সনে পবিত্র রমজান মাসের ১ তারিখ সেহরির ওয়াক্তে ইরানের জিলান শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা বিশিষ্ট বুজুর্গ সাইয়েদ আবু সালেহ জঙ্গি আর মাতা সাইয়েদা উম্মুল খায়ের ফাতেমা।

বড়পীর তৎকালীন বাগদাদের শ্রেষ্ঠ বিদ্যপীঠ নিজামিয়া মাদরাসায় কুরআন, হাদীস, ফিকাহ, আকাইদ ইত্যাদি বিষয়ে ব্যাপক পাণ্ডিত্য অর্জনপূর্বক সেখানে দীর্ঘদিন অধ্যাপনা করেন। তিনি অসাধারণ আধ্যাত্মিক সাধনা বলে মানুষের মাঝে চারিত্রিক প্রভাব ফেলতে সক্ষম হয়েছিলেন।

শুধু আজকের দিনই নয়, পুরো রবিউস সানি মাসেই ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উপলক্ষে মিলাদ মাহফিলসহ নানা ধর্মীয় কর্মসূচি পালন করেন মুসলমানরা।

বারভি শরীফ: পাঁচলাইশ ৩নং ওয়ার্ডস্থ মরহুম অলি আহমদ সওদাগর বাড়ির মরহুম জহির আহমদ সওদাগর পরিবারের উদ্যোগে স্থানীয় এবাদত খানায় মাসিক পবিত্র বারভি শরীফ ও ফাতেহায়ে ইয়াজদাহম মাহফিল যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হবে।

এ উপলক্ষে গৃহীত কর্মসূচিতে রয়েছে, বাদ মাগরিব থেকে নাতে রাসুল (দ.), খতমে গাউছিয়া শরীফ, মিলাদ-কিয়াম ও আখেরি মুনাজাত। মিলাদ মাহফিল পরিচালনা করবেন হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ তাহের ও মাওলানা সেলিম উদ্দিন।

ট্যাগ: bdnewshour24 পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম