banglanewspaper

হেগের আন্তর্জাতিক বিচারিক আদালত বা আইসিজে শিগগিরই রোহিঙ্গা গণহত্যার বিষয়ে সিদ্ধান্ত ঘোষনা করবে। বৃহস্পতিবার তৃতীয় দিনের শুনানি শেষে আদালতের প্রেসিডেন্ট আব্দুল কাউয়ি আহম্মেদ ইউসুফ একথা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, যত শিগগির সম্ভব আদালত তার সিদ্ধান্ত উভয় পক্ষকে জানিয়ে দেবে।

আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে শুনানির তৃতীয় দিনেও মিয়ানমারের পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন দেশটির কার্যত সরকার প্রধান অং সান সু চি। তিনি বলেন, তারা বিষয়টির আন্তর্জাতিকীকরণ চান না। দেশের সামরিক আদালতেই এ সংক্রান্ত বিচারের সুযোগ চান। সুচি তার চূড়ান্ত আবেদনে বলেন, গাম্বিয়ার মামলাটি খারিজ করে দেওয়া হোক। অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদনও প্রত্যাখ্যান করতে বলেন তিনি।

সু চির দাবি, তাদের সরকার সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার চেষ্টায় কাজ করছেন এবং তারা তা চালিয়ে যেতে চান। তিনি বলেন, আদালতের কাছে আমরা সেই সুযোগ চাই।

মঙ্গলবার শুনানির শুরুর দিনে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা গণহত্যায় নিজেদের যুক্তি তুলে ধরে মামলার বাদী গাম্বিয়া।

গাম্বিয়ার আইন ও বিচারমন্ত্রী আবুবকর মারি তামবাদু বলেন, ‘মিয়ানমার এখনও গণহত্যাপ্রবণ এবং এই বর্বরতা চালিয়ে যেতে চায়। রোহিঙ্গা গণহত্যার ঘটনা হঠাৎ করে সংঘটিত হয়নি। বরং একটি দীর্ঘদিনের পরিকল্পনার ফসল। রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীদের দীর্ঘদিন ধরেই বাঙালি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। জেনোসাইড কনভেনশনের আওতায় রাখাইনে সুনির্দিষ্ট অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। এছাড়া জাতিসংঘের অনুসন্ধানী দলের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে মিয়ানমার রাষ্ট্রীয়ভাবে গণহত্যা চালিয়েছে।’

ট্যাগ: bdnewshour24 রোহিঙ্গা