banglanewspaper

কেন্দুয়া (নেত্রকোণা) প্রতিনিধি: নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার ১৩ নং পাইকুড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাবেক উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির চৌধুরীর কেন্দুয়া পৌর শহরের কোর্ট রোড এলাকায় ব্যক্তিগত কার্যালয়টি ব্যাপক ভাংচুর করেছে যুবলীগের নেতাকর্মীরা।

বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে আভ্যন্তরীণ কোন্দলে ৩০/৩৫ জনের একদল নেতাকর্মী আচমকা হামলা চালিয়ে বন্ধ থাকা কার্যালয়টির ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনাটি ঘটিয়েছে। সুত্র জানায়,ভাংচুর হওয়া কার্যালয়টির একটি অংশ বেশ কয়েক বছর উপজেলা আওয়ামীলীগের দলীয় কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

গত কয়েকদিন আগে উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়টির পরিবর্তন হয়। আভ্যন্তরীণ কোন্দলে যুবলীগের নেতৃত্বে কার্যালয়টি ভাংচুর হয়েছে বলে জানা গেছে। ভাংচুরের সময় হামলাকারীরা জয়বাংলা স্লোগান দিয়েছে বলে স্থানীয় জানায়।

চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির চৌধুরী টিকাদারী করেন। বর্তমানে বিভিন্ন এলাকায় কয়েকটি নির্মাণাধীন কাজ চলছে। শ্রমিকদের টাকা দিতে ঘটনার আগে স্থানীয় একটি ব্যাংক থেকে ৪ লাখ টাকা উত্তোলন করেছিলেন। সন্ধ্যার পর এই টাকা বিতরণে কথা ছিল বলে জানান হুমায়ুন কবীর চৌধুরী।

চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির চৌধুরী জানান, ঘটনার সময় আমি পাইকুড়া বাজারে অন্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় পরিদর্শনে ছিলাম। যে কারণে কার্যালয়টি বন্ধ ছিল। তারা প্রথমে ঘরের সাটার ভাঙ্গার চেষ্ঠা করে। পরে পেছনের দরজা ভেঙ্গে কার্যালয়ে ঢুকে অফিসের চেয়ার-টেবিল, টিভি ও আলমিরাসহ অন্যান্য জিনিসপত্র ভাংচুরসহ নগদ ৪ লাখ টাকা লুট করে নিয়ে যায় হামলা কারীরা।

তিনি আরো দাবী করে বলেন, উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক মোস্তাফিজউর রহমান বিপুলের নেতৃত্বে যুবলীগের নেতাকর্মী এই হামলার ঘটনাটি ঘটায় এবং লুটপাট করে।

এদিকে ঘটনার সময় ছিলেন না জানিয়ে উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক মোস্তাফিজউর রহমান বিপুল বলেন, হুমায়ুন চৌধুরীর লোকজন বৈরাটি গ্রামের আওয়ামী লীগ নেতা গনি মিয়াকে কয়েকদিন আগে মারপিট করে এবং বুধবার সকাল ৯টার দিকে পাইকুড়া ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ন আহবায়ক ফজলু মিয়াকে মারধোর ও তার ব্যবহৃত মটরসাইকেল ভাংচুর ঘটনা ঘটায়। এরই যের ধরে এই হামলার ঘটনাটি ঘটতে পারে। এই হামলার সাথে কেন্দুয়ার কোন নেতাকর্মী জড়িত ছিল না বলে দাবী করেন বিপুল।

কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) হাবিবুল্লাহ খান বলেন, ‘যুবলীগের কিছু নেতা-কর্মী এই ভাংচুরের ঘটনাটি ঘটিয়েছে। বিষয়টি জেলা পুলিশের উর্ধ¦তন কর্মকর্তারা অবহিত করা হয়েছে। ঘটনাস্থলের সিসিটিভির ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। হুমায়ূন কবীর চৌধুরী এখনও লিখিত অভিযোগ দেননি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

ট্যাগ: bdnewshour24 কেন্দুয়া