banglanewspaper

নাফ নদী দিয়ে গত একবছরে দেশে ইয়াবা আসার পরিমাণ অনেক কমেছে বলে দাবি করেছেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. সাফিনুল ইসলাম। তার ভাষ্য, ‘মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনী জব্দকৃত করা লক্ষ লক্ষ পিস ইয়াবা পানিতে ফেলে দিচ্ছে, বিজিবির টহল দল চোখে দেখেছে।’

বিজিবি ও মিয়ানমার পুলিশ ফোর্সের (এমপিএফ) উচ্চপর্যায়ের সপ্তম সীমান্ত সম্মেলন শেষে বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে বিজিবির মহাপরিচালক একথা বলেন।

ইয়াবা নিয়ে দুই দেশের সম্মেলনে কোনও আলোচনা হয়েছে কি-না প্রশ্নের জবাবে বিজিবি প্রধান বলেন, ‘গত একবছরে মিয়ানমার সীমানা (নাফ নদী) দিয়ে ইয়াবা আসার পরিমাণ অনেক কমেছে। এখন দুই দেশের বর্ডার হয়ে সরাসরি ইয়াবা আসার পরিমাণও একদম কম।’

‘কারণ দুই দেশের সীমান্তরক্ষীরা তাদের কার্যক্রম জোরদার করেছে। তবে মিয়ানমারের সীমান্তের উত্তর দিকে এবং বাংলাদেশের দক্ষিণ দিকের সমুদ্রপথে ইয়াবা বাংলাদেশে ঢুকছে।’

এই পথেও ইয়াবা  যেন বন্ধ হয় সে লক্ষ্যে উভয় দেশের মধ্যে কথা হয়েছে জানিয়ে সাফিনুল ইসলাম বলেন, ‘ইয়াবা আসা বন্ধ করতে মিয়ানমার পুলিশ ফোর্স তাদের অপারেশন করছে। আমাদের টহল দল প্রত্যক্ষ করেছে তাদের কর্তৃক জব্দকৃত লক্ষ লক্ষ ইয়াবা পানিতে ফেলে দিয়েছে, যা আমাদের টহল দল দেখেছে।’

ইয়াবা চালান রোধে মিয়ানমার বাংলাদেশকে আশ^স্ত করেছে উল্লেখ করে বিজিবি প্রধান বলেন, ‘তারা (মিয়ানমার) তাদের কার্যক্রম অব্যাহৃত রেখেছে। এই মিটিংয়ে মিয়ানমারের ইয়াবা নিরোধে অভিযান আরো জোরদার করতে বলা হয়েছে।’
এই সম্মেলনে মিয়ানমারের চিফ অব পুলিশ জেনারেল স্টাফ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মায়ো থানের নেতৃত্বে আট সদস্যের প্রতিনিধিদল অংশগ্রহণ করে। অন্যদিকে বাংলাদেশের পক্ষে বিজিবি মহাপরিচালকের নেতৃত্বে ছিল ১৪ সদস্যের প্রতিনিধিদল।

বিজিবি সদর দপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে দুই দেশের প্রতিনিধিদলই উপস্থিত ছিল। সংবাদ সম্মেলনের প্রথমে পাঁচ দিনব্যাপী আয়োজিত এই সম্মেলনে দুই দেশের আলোচনা ও সমঝোতার বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়।

ট্যাগ: bdnewshour24 ইয়াবা নদী মিয়ানমার