banglanewspaper

বস্তি ব্যবহার করে এক ধরনের অপরাধী মাদক ব্যবসা করবে, নিরীহ মানুষদের ধর্ষণ করবে তা মেনে নেওয়া হবে না বলে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন র‌্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ।

বৃহস্পতিবার দুপুরে কারওয়ান বাজারে র‌্যাবের মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এই হুঁশিয়ারি দেন র‌্যাব প্রধান।

বেনজীর আহমেদ বলেন, ‘প্রায়ই রেলের পাশে গড়ে ওঠা স্থাপনা ও বস্তি উচ্ছেদ করা হয়। কিছুদিন পর দেখা যায়; যা ছিল তাই। এই যে ‘ইঁদুর-বিড়াল’ খেলা সেটা নিয়ে আমাদের কিছু করা দরকার। বস্তিকে ব্যবহার করে এক ধরণের ক্রিমিন্যাল এখানে ড্রাগের (মাদক) ব্যবসা করবে, নিরীহ মানুষদের ধর্ষণ করবে, ঢাকা শহর ও বাংলাদেশকে অনিরাপদ করবে এটা কোনো ক্রমেই মেনে নেবো না। এসব অপরাধ বন্ধে র‌্যাব কঠোর অবস্থানে। রাজধানীবাসীর নিরাপত্তায় র‌্যাব যখন যেখানে অভিযান দরকার সেখানে অভিযান করবে।’ তবে র‌্যাব সাধারণ বস্তিবাসির বিরুদ্ধে না যোগ করেন র‌্যাব প্রধান।

বনানী থেকে বিমানবন্দর রেললাইনের আশপাশের মাদকের আখড়া গুড়িয়ে দেওয়া প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হয় পুলিশের এই এলিট ফোর্সটির প্রধানের কাছে। জবাবে বেনজীর আহমেদ বলেন, ‘গতকাল (বুধবার) সেখানে অপারেশন করে ৭৬টি অস্থায়ী কাঠামো তুলে দেওয়া হয়েছে। আরও কিছু করা যেত কিন্তু অবৈধ বৈদ্যুতিক কানেকশন রয়েছে। যেটা উচ্ছেদ করতে গেলে অন্য কোনো দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। অবৈধ কানেকশনগুলো ডিসকানেক্ট করে বাকি স্থাপনাগুলো তুলে দেওয়া হবে।’

‘যেহেতু সেখানে ধর্ষণের মতো ঘটনা ঘটেছে; তাই আইনশৃঙ্খলাবাহিনী এসব এলাকায় খুব একটিভ। তাই এই মুহুর্তে প্রত্যাশিত ফলাফল পাওয়াটা কঠিন।’

বেনজীর আহমেদ বলেন, ‘টঙ্গি থেকে নারায়ণগঞ্জ পর্যন্ত রেলের বিশাল জায়গা আছে। রেলের পাড় ঘেঁষে যেসব স্থাপনা বা বস্তি গড়ে উঠেছে এগুলো মূলত রেলওয়ের সম্পত্তি। তাদের সম্পত্তি দেখভালের জন্য লোক আছে। তাই তাদের দায়িত্বের বাইরে গিয়েও আমরা বেশি কিছু করতে পারি না। তবে, র‌্যাবের সহযোগিতা যদি তাদের প্রয়োজন হয় আমরা সহযোগিতা করতে রাজি আছি। আমরা একত্রে কাজ করতে চাই। তারা যখনই কোনো প্রয়োজন আমাদের জানাবেন আমরা সাহায্য করতে প্রস্তুত।’

সম্পদ, জমি ও যন্ত্রাংশ রক্ষায় রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ আরও তৎপর হবে বলেন আশা প্রকাশ করেন র‌্যাব প্রধান।

ট্যাগ: bdnewshour24 বস্তি ইঁদুর-বিড়াল র‌্যাব ডিজি