banglanewspaper

জাহিদ হাসান, বাকৃবি: দেশের সার্বিক উন্নতির জন্য দেশে গবেষক বাড়াতে হবে এবং মানসম্মত গবেষণার পরিমান বাড়াতে হবে। গবেষণা ছাড়া জ্ঞান বিকাশের কোনো অবকাশ নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেশি বেশি প্রোজেক্ট লিখা এবং প্রকাশনার প্রয়োজন। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) “জেএসিপএস ফেলোশিপ প্রোগ্রাম” শীর্ষক দিকনির্দেশনা মূলক সেমিনার এসব কথা বলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. লুৎফুল হাসান।

তিনি আরও বলেন, “ফেলোশিপের জন্য হতাশ না হয়ে বারবার প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। পোস্টডক্টোরাল ফেলোশিপের জন্য ভালো হোস্ট প্রফেসর খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ভালো হোস্ট প্রফেসর হলে তার মাধ্যমে ফেলোশিপ পাওয়া সহজ হয়। প্রতিটি গবেষণার জন্য ভালো মানসম্মত বিষয় নির্ধারণ করে গবেষণা চলিয়ে যেতে হবে এবং বিদেশে দক্ষতার সহিত কাজ করে দেশের জন্য বিভিন্ন প্রকল্প আনার জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। তাহলেই দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখা সম্ভব।

বাংলাদেশ জেএসপিএস অ্যালামনাই এসোসিয়েশন (বিজেএসপিএসএএ) এবং জাপান সোসাইটি ফর দ্যা প্রমোশন অব সাইন্সের (জেএসিপএস) যৌথ আয়োজনে রবিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন কক্ষে ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। 

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জেএসপিএস এর গবেষণা এবং প্রকাশনা সম্পাদক অধ্যাপক ড. মির্জা হাসানুজ্জামান। তিনি বলেন, জেএসপিএস হচ্ছে একটি কোর ফান্ডিং এজেন্সি। ১৯৩২ সাল থেকে এই এজেন্সি গবেষণার জন্য ফান্ডিং করছে। বর্তমানে বাংলদেশ সহ সারা বিশ্বে তাদের মোট ২০টি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন রয়েছে। তারা তিন ক্যাটাগরিতে ফেলোশিপ প্রোগ্রাম পরিচালনা করে। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতিবছর তারা হোপ মিটিংয়ের ব্যাবস্থা করে থাকে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবি উপাচার্য এবং জেএসপিএস এর সভাপতি অধ্যাপক ড. লুৎফুল হাসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জসিমউদ্দিন খান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. এম. এ. এম. ইয়াহিয়া খন্দকার। এছাড়াও জেএসপিএস এর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. তুহিন শুভ্র রয়সহ  বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যলয়, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়  ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগ: bdnewshour24 বাকৃবি