banglanewspaper

ভারতের ইউনিয়ন ফাইন্যান্স মিনিস্টার নির্মালা সিথারাম গত রোববার (১৯ জানুয়ারি) জানিয়েছেন, গত ৬ বছরে প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে ২ হাজার ৮৩৮ জনকে দেশটির নাগরিকত্ব দেয়া হয়েছে। যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক পাকিস্তান থেকে আসা।

নির্মালার দেয়া তথ্যমতে, গত ৬ বছরে পাকিস্তানের ২ হাজার ৮৩৮ জনকে দেশটির নাগরিকত্ব দেয়া হয়েছে। এরপর রয়েছেন আফগানিস্তানের ৯১৪ এবং বাংলাদেশের ১৭২ জন।

ভারতীয় সংবাদ সংস্থা ইন্দো-এশিয়ান নিউজ সার্ভিস (আইএএনএস) এর প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, চেন্নাইতে সিটিজেনশিপ ফোরাম এবং নিউ ইন্ডিয়া ফোরামের আয়োজনে এক অনুষ্ঠানে ইউনিয়ন ফাইন্যান্স মিনিস্টার নির্মালা সিথারাম এসব কথা বলেন। নাগরিকত্ব (সংশোধন) আইন (সিএএস) সম্পর্কে তিনি বলেন, ভারতের নাগরিকদের জন্যই করা হয়েছে, নাগরিকত্ব বাদ দেয়ার জন্য করা হয়নি।

তিনি আরও বলেন, ১৯৬৪ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত ৪ লাখ শ্রীলংকানকে ভারতের নাগরিকত্ব দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, আইনটি বাস্তবায়নে প্রাদেশিক সরকারগুলো না বলতে পারবে না এবং প্রদেশগুলোর এসেম্বলিতে এই আইনকে অমান্য করে কোন রেজুলেশন পাস হলেও তার কোন ভিত্তি থাকবে না, বরং সেটি অবৈধ হবে।

বিরোধীপক্ষের সমালোচনা করে তিনি বলেন, যারা মানবাধিকার নিয়ে কথা বলেন না, তারা এখন সিএএ এর সমালোচনা করছেন। শ্রীলঙ্কার উদ্বাস্তুরা ভারতে করুণ অবস্থায় রয়েছেন, কিন্তু বিরোধী দলগুলো কখনোই তাদের মানবাধিকার নিয়ে উচ্চ-বাচ্য করবে না।

ফাইন্যান্স মিনিস্টার বলেন, বিষয়টি নিয়ে সংসদে বিস্তর আলোচনা হয়েছে এবং বিরোধীদের সকল প্রশ্নের জবাব দেয়া হয়েছে।

হিন্দুস্থান টাইমসে একই অনুষ্ঠানের প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী নির্মালা আরও বলেন, সিএএ মুসলমানদের বিরুদ্ধে নয়। দেশের কোনো মুসলমান নাগরিক সিএএ দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।

পাকিস্তান, আফগানিস্তান এবং বাংলাদেশ থেকে যে ২ হাজার ৮৩৮ জনকে ভারতের নাগরিকত্ব দেয়া হয়েছে, তার মধ্যে ৫৬৬ জন মুসলমান বলেও জানান তিনি।

উদাহরণ হিসেবে তিনি বাংলাদেশি লেখিকা তসলিমা নাসরিন এবং পাকিস্তানি শিল্পী আদনান সামির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, অথচ নরেন্দ্র মোদি সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হচ্ছে মুসলমানদের নাগরিকত্ব কেড়ে নেয়ার।

ট্যাগ: bdnewshour24 ভারত পাকিস্তান