banglanewspaper

আলফাজ সরকার আকাশ শ্রীপুর(গাজীপুর) প্রতিনিধিঃ পেটে ব্যাথা নিয়ে গত ১২ জানুয়ারি স্বজনদেরকে সাথে পৌর এলাকার মাওনা চৌরাস্তায় প্রাইম ডায়াগনস্টিক কমপ্লেক্সে যান কলেজ ছাত্রী শায়লা ইসলাম । সেখানে কয়েকটি পরীক্ষার পর রিপোর্ট দেয়া হয়। পরে সেখানের দায়িত্বে থাকা লোকজন জানান যে, রোগীর পিত্তথলিতে পাথর হয়েছে। জরুরি অপারেশন না করলে মৃত্যু হতে পারে তার।

বিষয়টি স্বজনদের উদ্বিগ্ন করলে জরুরি ভিত্তিতে ঢাকার একটি সার্জারী দিয়ে অপারেশন করানো হয়। পিত্তথলি কেটে অপারেশন করার পর ডাক্তার জানান পিত্তথলিতে কোন পাথর পাওয়া যায়নি। এমন অবস্থায় মানষিক ও শারীরিকভাবে মুমূর্ষু অবস্থায় রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন গাজীপুরের শ্রীপুরে অনার্স পড়ুয়া এক কলেজ ছাত্রীর স্বজনরা।

২২ জানুয়ারি বুধবার নাঈম হােসেন নামে রোগীর এক স্বজন  শ্রীপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
 
ভুক্তভোগী শায়লা ইসলাম উপজেলার গোসিংগা ইউনিয়নের পটকা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি শ্রীপুর বীর মুক্তিযোদ্ধা রহমত আলী সরকারি কলেজের অনার্স ১ম বর্ষের শিক্ষার্থী। 


অভিযােগে মাওনা চৌরাস্তার বাজার রোডে  রিয়াজ উদ্দিন টাওয়ারে অবস্থিত প্রাইম ডায়াগনস্টিক কমপ্লেক্সের মালিক লিটন মিয়া, লিয়াকত আলী, বাদল মিয়া ও রিপোর্ট প্রদানকারী সনোলজিস্ট ডাঃ কাইসার কারামী (এমবি.বিএস ডিএমইউ)সহ মোট ৪জনকে অভিযুক্ত করা হয়। 

এ বিষয়ে প্রাইম ডায়াগনস্টিক কমপ্লেক্সের একজন স্বত্তাধিকারী মুঠোফোনে জানান, ওই রোগীর পরীক্ষার রিপোর্ট প্রদানকারী ডাক্তার এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে পারবে। 

অভিযুক্ত রিপোর্ট প্রদানকারী সনোলজিস্ট ডাঃ কায়সার কারামী জানান, আল্ট্রাসোনোগ্রামে স্পষ্ট পাথর দেখা গিয়েছিল।  এটা পরে হয়তো নালীর ভিতর ঢুকে গিয়েছিল। এগুলো নিয়মিতই স্থান পরিবর্তন হয়ে থাকে। অপারেশন করার পূর্বে পূনরায় আলট্রাসোনোগ্রাম করা উচিৎ ছিল বলেও জানান তিনি। 

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি লিয়াকত আলী জানান, এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত করে পরবর্তী আইনী প্রক্রিয়া গ্রহন করা হবে। 

ট্যাগ: bdnewshour24 ভুল চিকিৎসা মুমূর্ষু শ্রীপুরে কলেজ ছাত্রী