banglanewspaper

আত্রাই  প্রতিনিধিঃ  নওগাঁ র আত্রাই উপজেলার ১নং সাহাগোলা ইউনিয়নে ৫নং ওয়ার্ডের তারাটিয়া বড়ডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা মোঃ আলেফ মোল্লার দ্বিতীয় পুত্র শারীরিক প্রতিবন্ধী মোঃ সজীব মোল্লা(১৪) তার উচ্চতা দুইফুট ওজন পনেরো কেজি প্রায়।সে যখন সপ্তম শ্রেনীতে অধ্যায়নরত.গ্রামের আরো দশটা ছেলের মতোই সজীব হাঁসতো খেলতো।নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিতি এবং লেখাপড়াই ছিল তার কাজ।
কিন্ত অভাবের সংসারে সজীবের পরিবারের কাছে সজীব কে দিয়ে অর্থ উপার্জনের ডাক নিয়ে আসেন সার্কাস দলের লোকজন। 

পরিবারের মতামত থাকায় সে সার্কাসের জোকারের কাজ করতে যোগ দেয়। সার্কাসের দলে কাজ করে চার মাস.কিন্ত সার্কাস দলে কাজ করলে ও সজীবের চিন্তাচেতনা সবকিছু ছিল পড়াশুনা নিয়ে।তাই সে সংসারে অভাব অনাটনের সবকথা ভুলেগিয়ে ফিরে আসেন নিজ বাড়িতে পড়াশুনা করবে বলে, উচ্চতায় আনেক কম হওয়ায় যেমন বিড়ম্বনায় পড়তে হয় তাকে।

ঠিক তেমনি আনেকের সহানুভূতি ও স্নেহ পেয়ে থাকেন অনেকর কাছে.বর্তমানে সজীব ভবাণীপুর জিএস উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীতে অধ্যায়নরত একজন নিয়মিত ছাত্র. তার বাহন হিসেবে আছে একটি বাইসাইকেল সটি তে চেপেই সে বিদ্যালয়ে আসে।   

তার বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহাবুবুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান সজীব ভদ্র নম্র  নিয়মিতএকজন ছাত্র আমি তার মঙ্গলময় জীবন কামনা করি।

 তার সহপাঠী সাব্বির বলেন সজীব খুব ভাল একজন বন্ধু সে উচ্চতায় কম হওয়ায় আমাদের শ্রেনি সহ বিদ্যালয়ের সবার দৃষ্টি থাকে তার উপর সে খুব ভাল ।লাল সবুজের একাত্তর, প্রতিনিধির সঙ্গে আলাপচারিতায় সজীব ব্যাক্ত করেছেন তার মনের ইচ্ছার কথাগুলো।

 সজীব বলে আমার শারীরিক প্রতিবন্ধকতা ও দরিদ্রতা মোকাবেলা করে আমি লেখাপড়া করে শিক্ষক হতে চাই আমার জন্য দোয়া করবেন।

ট্যাগ: bdnewshour24 শারীরিক প্রতিবন্ধকতা হার