banglanewspaper

অংকন তালুকদার: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানে সামাধি সৌধ বেদীতে পুষ্পমাল্য অর্পন করে শ্রদ্ধা জানান অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। পরে বঙ্গবন্ধু ও ১৫ আগষ্ট তাঁর পরিবারের নিহত সদস্যদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন তিনি।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জাতির পিতার স্বপ্ন ছিল দুইটি। একটি স্বাধীন দেশ ও একটি পতাকা আর একটি ভূখণ্ড। আরেকটি স্বপ্ন ছিল এদেশের মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তি। যেখানে মানুষ খেয়ে থাকবে, কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা থাকবে, বাসস্থানের অভাব থাকবে না, চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হবে না। অর্থাৎ আলোকিত সমাজ ব্যবস্থা কায়েম করার চেষ্টা ছিল জাতির পিতার স্বপ্নে। তাই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য সব কিছু করবে সরকার।

তিনি বলেন যারা বড় হচ্ছে, লেখাপড়া করছে তাদের চাকরির অভাব হবে না। পদ্মা সেতু হওয়ার পর গোপালগঞ্জসহ দক্ষিণ বঙ্গের সকল এলাকার চেহারা পরিবর্তন হবে। অসংখ্য কারখানা হবে এখানে। সে সময় সকল ছেলে মেয়েদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে। ইতিমধ্যে কর্মসংস্থানের জন্য একটি ফার্মাসিউটিক্যাল ফ্যাক্টরি তৈরি করে দিয়েছে সরকার। আপনাদেরকে আর দুঃশ্চিন্তা করতে হবে না।

"মুজিব বর্ষে” সরকারের অঙ্গিকার উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের ৬১ ভাগ মানুষ কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী। যারা লেখাপড়া করেছে সরকার তাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে ভাল চাকরি পাওয়ার ব্যবস্থা করবে। সেই সাথে যারা শিক্ষিত নয় তারাও যাতে কিছু করে খেতে পারে সে ব্যবস্থাও করবে বর্তমান সরকার। সারা বিশ্বে মানুষ কর্মসংস্থানের জন্য অনেক কষ্ট করে। তারা কাজ করার মানুষ পায় না। আমাদের এখানে মানুষ অনেক আছে কিন্তু কর্মসংস্থানের অভাব রয়েছে। তাই তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। এইটাই আমাদের অঙ্গীকার।

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, অর্থ সচিব আঃ রউফ তালুকদার, জেলা প্রশাসক শাহিদা সুলতানা, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি চৌধুরী এমদাদুল হক, সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব আলী খান, সিনিয়র সহ-সভাপতি শেখ রুহুল আমিন, গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ লুৎফার রহমান বাচ্চু ও জেলা, উপজেলা, স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা।

ট্যাগ: bdnewshour24 পদ্মা সেতু