banglanewspaper

কভিড-১৯ (করোনাভাইরাস) এ আক্রান্ত হয়ে ইউরোপের মধ্যে প্রথমবারের মতো ফ্রান্সে এক চীনা নারী পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে। চীনের ওহান প্রদেশ থেকে সৃষ্ট করোনাভাইরাসে এশিয়ার বাইরে প্রথমবারের মতো কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটল।

ফ্রান্সের স্বাস্থ্যমন্ত্রী অ্যাগনেস বুজইয়ানেকে জানান, ৮০ বছর বয়সী ওই নারী চীনের হুবেই প্রদেশের বাসিন্দা। বর্তমানে ফ্রান্সে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ১১।

কভিড-১৯ (করোনাভাইরাসে) আক্রান্ত রোগীর মৃত্যুর সংখ্যা ক্রমাগত বেড়েই চলেছে।  চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, দেশটির মূল ভূখণ্ডে শুক্রবার আরও ২ হাজার ৬৪১ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে।

সব মিলিয়ে চীনে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৬ হাজার ৪২৯ জনে। আর শনিবার পর্যন্ত ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা ১৫২৬ জন।

গত ৩১ ডিসেম্বর চীনের মধ্যাঞ্চলীয় হুবেই প্রদেশের উহানে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়। এরপর থেকে চীনে মহামারি আকার ধারণ করে এই ভাইরাস। ভাইরাসটি চীনের ৩১ প্রাদেশিক পর্যায়ের অঞ্চল ছাড়াও বিশ্বব্যাপী ছড়িয়েছে। বিভিন্ন দেশে চীন থেকে ফেরা মানুষের কাছ থেকে অন্য মানুষে কভিড-১৯ ছড়িয়ে পড়ার খবর আসতে থাকায় গত ৩০ জানুয়ারি এ ভাইরাস নিয়ে স্বাস্থ্যক্ষেত্রে বৈশ্বিক জরুরি অবস্থা জারি করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। তবে এখনও একে বৈশ্বিক মহামারি (প্যানডেমিক) ঘোষণা করেনি সংস্থাটি।

চীনে হুট করে আক্রান্ত-মৃতের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় বৃহস্পতিবার ডব্লিউএইচও-এর জরুরি স্বাস্থ্য কর্মসূচির প্রধান মিশেল রায়ান বলেন, স্বাস্থ্য পরীক্ষার পদ্ধতি বদলানোয় সংখ্যা হঠাৎ বেশি দেখালেও সার্বিক প্রাদুর্ভাবকে এটি খুব বেশি প্রভাবিত করবে না।

ট্যাগ: bdnewshour