banglanewspaper

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান থেকে ফিরিয়ে আনা বাংলাদেশিদের কোয়ারেন্টাইন (পৃথক করে রাখা) মেয়াদ শেষে বাড়িতে পাঠানো হয়েছে। রবিবার সকালে আশকোনা হজ ক্যাম্পে পর্যবেক্ষণে থাকা চীনফেরত বাকি ১০০ জনও বাড়ি ফিরে যান। এর আগে শনিবার রাতে বাড়ি ফিরেন ২১২ জন।

শনিবার আশকোনা হজ ক্যাম্পে তাদের সর্বশেষ স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর রাতে প্রত্যেককে স্বাস্থ্য সনদ ও সংবর্ধনা দেয়া হয়। এই প্রক্রিয়া শেষে অনেকে রাতেই বাড়ি ফিরেন। বাকিরা রবিবার সকালে ফিরে যান।

তবে বাড়ি ফিরে গেলেও প্রত্যেককেই আইডিসিআর’র সাথে যোগাযোগ রাখতে বলা হয়েছে।

কোয়ারেন্টাইনে থাকা ব্যক্তিদের নাম, পরিচয় ও ছবি প্রকাশ না করতে গণমাধ্যমে পাঠানো প্রতিষ্ঠানটির এক বিজ্ঞপ্তিতে অনুরোধ জানিয়েছে আইইডিসিআর। এতে বলা হয়, উহানফেরত যাত্রীদের ব্যক্তিগত পরিচয় গোপন রাখা সব পক্ষের পেশাগত নৈতিক দায়িত্ব। এ কারণে কোয়ারেন্টাইন সমাপনী কার্যক্রম সবার জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়নি।

গণমাধ্যমকর্মীরা বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবণ করবেন আশাবদ ব্যক্ত করে বিজ্ঞপ্তিতে স্পর্শকাতর জরুরি জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতি মোকাবেলয় সাংবাদিক ও সংশ্নিষ্ট মহলকে সংবেদনশীলতার সঙ্গে সহযোগিতার আহ্বান জানানো হয়।

আইইডিসিআর পরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, উহানফেরতদের বিষয়ে সর্বোচ্চ গোপনীয়তা রক্ষা করতে হবে। করোনা সন্দেহভাজন হিসেবে যাদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে, নাম, পরিচয় ও ছবি প্রকাশ করলে তারা সামাজিকভাবে হেনস্তার শিকার হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, হজ ক্যাম্পে কোয়েরান্টাইনে থাকা কারও শরীরে করোনাভাইরাসের কোনো উপসর্গ নেই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সমস্ত গাইডলাইন অনুসরণ করে তাদের কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়। নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পর তারা সবাই সুস্থ আছেন। এ কারণে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

গত ১ ফেব্রুয়ারি চীনের উহান থেকে দেশে আসেন ৩১২ জন বাংলাদেশি। এরপর তাদের আশকোনা হজ ক্যাম্প ও সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়।

ট্যাগ: bdnewshour24 করোনাভাইরাস