banglanewspaper

জাবি থেকে রাজু : জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যাালয়ে উপমহাদেশের খ্যাতনামা বিজ্ঞানী ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার ৭৮তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়েছে।

আজ সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়াজেদ মিয়া বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্রর সম্মখে তার ম্যুরালে উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলাম শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন।

এ সময় বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদ ও ওয়াজেদ মিয়া বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্রের পক্ষ থেকে শ্রধদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়। এ অনষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো.আমির হোসেন, প্রো-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মো.নূরুল আলম, বিভিন্ন অনষদের ডিন, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্টার, শিক্ষার্থী কল্যাণ ও পরামর্শদান কেন্দ্রের পরিচালক, হল প্রভোস্ট, প্রক্টর, বিভাগীয় সভাপতি, অফিস প্রধানসহ অন্যান্য শিক্ষক-কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের প্রাক্কালে উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলাম বলেন, খ্যাতনামা বিজ্ঞানী ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া মুক্তিুযদ্ধের আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হল ছাত্র সংসদের ভিপি হিসেবে আইয়ব বিরোধী আন্দোলনে নেতত্ব দেন। এ কারণে ১৯৬২ সালে তিনি গ্রেফতার হন। বিজ্ঞান শিক্ষা, গবেষণা ও রাজনীতিতে ড. ওয়াজেদ মিয়ার অবদান বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।

উপাচার্য বলেন, তিনি দেশে আণবিক গবেষণার পথিকৎ। তিনি আণবিক শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন। আণবিক শক্তি গবেষণাসহ সার্বিক বিজ্ঞান চর্চায় বিশেষ অবদানের  স্বীকৃতিস্বরুপ ‘স্যার জগদীশ চন্দ্র বসুর্স্বণপদক’ লাভ করেন। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিক্তুদ্ধকালীন চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে তিনি বঙ্গবন্ধু পরিবারের পাশে থেকে তাঁদের সাহস ও শক্তি জুগিয়েছেন। ১৯৯৭ সালে তারই পরামর্শ ও পৃষ্ঠপোষকতায় জাতীয় সমন্বিত উন্নয়ন ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠিত হয়। ড. ওয়াজেদ বিজ্ঞান গবেষণার পাশাপাশি জাতীয় রাজনীতিতে নীরবে গুরুত্বপূর্ণ  ভূমিকা রেখে গেছেন। রূপপর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র তারই স্বপ্নের ফসল। তার লেখা অনেক বই বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানো হয়। একজন সৎ, দেশ-প্রেি মক ও নিরীহ নারী মানুষ হিসেবে তার বিশেষ খ্যাতি আছে। তার স্বপ্ন, আদর্শ অনসরণ করলে তাকে সম্মান জানানো হবে।

ট্যাগ: bdnewshour24 জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যাালয়