banglanewspaper

অলিউর রহমান মেরাজ (নবাবগঞ্জ) দিনাজপুর প্রতিনিধি: দিনাজপর ৬ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ শিবলী সাদিক আজ সকালে তাঁর নিজ ফেসবুক আইটিতে লেখেছেন ‘সবকিছু সরকার করবে এমন ভাবনা থেকে বের হয়ে এসে নিজেদের স্থান থেকে দেশের উন্নয়নে অবদান রাখা উচিত ।

ফেসবুক স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলোঃ উত্তরবঙ্গের কিছু কৃতি সন্তান আছে যারা সরকারি উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী থেকে শুরু করে রাজনৈতিক নেতা, মন্ত্রী পরিষদ পর্যন্ত, অবস্থানে যাবার পরেও এই উত্তর বঙ্গের উন্নয়নের জন্য উদাসীন থাকেন, যখন সরকারি কর্মকর্তারা, চাকরি থেকে অবসর নেন, রাজনৈতিক নেতা এম,পি , মন্ত্রীগণ যখন ক্ষমতাচ্যুত হন, তার সঙ্গে যখন যুক্ত হয় অবসর এবং অনেকটা বার্ধক্য, জীবনের শেষ সময়, তখন এমন একটা ভাব করেন এলাকার জন্য অনেক কিছু করতে হবে।

আমার স্বল্প অভিজ্ঞতা থেকে আমি বেশ কিছু মানুষের এমন আচরণ দেখেছি, জীবনের শেষ ধাপে এসে কৃতি ছাত্র-ছাত্রীদের ক্রেস্ট বা সার্টিফিকেট প্রদান, দুই এক জনকে দু চার হাজার টাকা ধরিয়ে দেয়া, এইসব কাজ করে দেখাতে চায়, তারা এলাকার উন্নতি করছেন। 

আসলে বাস্তবতা টা অনেক কঠিন, যখন ক্ষমতায় ছিল, যদি মনে প্রাণে আমাদের এই অঞ্চলের কথা ভাবতো, তাহলে হয়তো অনেক পরিবারের সন্তানেরা চাকরি পেতে, অনেক রাস্তাঘাট থেকে শুরু করে, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অনেক কিছুতে উন্নতি করা সম্ভব হত, আরো অনেক আগেই, নিজের কাজ না করে, যে সমস্ত ব্যক্তি বর্গ দক্ষিণবঙ্গের, উন্নতি নিয়ে ঈর্ষায় কথা বলেন তাদের প্রত্যেক কে একটি কথা বলতে চাই, কি করে উন্নতি করতে হয়, এলাকার উন্নয়নে একসঙ্গে থাকতে হয়, একই কথা একসঙ্গে বলতে হয়, এই বিষয়টা আগে দক্ষিণবঙ্গের মানুষের কাছ থেকে আমাদের সবাইকে শিখতে হবে, তাহলেই আমাদের এই উত্তরবঙ্গের কাঙ্খিত উন্নয়নের মাত্রায় আমরা নিজেদের অবস্থানকে পৌঁছাতে পারবো, তিন বছর ধরে ঘুরছি, অনেকের কাছে দোহাই দিয়েছি , প্রিয় জেলা দিনাজপুরের জন্য এক হয়ে কাজ করার।

 একসঙ্গে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে রাস্তাঘাটের দাবি জানাবার জন্য, আমার মুখের কথা অনেকের কাছে হাস্যকর মনে হয়েছে, আমিতা তাদের আচরণে অনুভব করেছি, তারপরেও ক্লান্ত হয়নি, আমার এই দিনাজপুর জেলা, প্রিয় রংপুর বিভাগ, আমাদের সবার প্রিয় উত্তরবঙ্গ নিয়ে সকল চাওয়া পাওয়া উন্নয়নের চেষ্টা অব্যাহত থাকবে, বর্ষা মৌসুমে কাদাময় গ্রামগুলোর চিত্র আমি অনুভব করি প্রতিটি মুহূর্তে, মঞ্চে দাঁড়িয়ে বড় বড় কথা বলবার সময় সেইসব গ্রাম ইউনিয়নের কথাগুলো কোন ভাবেই মাথা থেকে বের করতে পারিনা, আর তাই প্রতিটি ইউনিয়নের সভায়, মঞ্চে, আমার কথা গুলো অসমাপ্তই থেকে যায়, কষ্ট আমার সেখানেই, একটি গানের কথা মনে পড়ে গেল , বেলা শেষে ফিরে এসে, পাইনি তোমায় কৃষ্ণচূড়ার রঙে এঁকেছি তোমায়।

 জীবনের গল্পগুলো ধীরে ধীরে শেষ হতে থাকে বার্ধক্য এবং মৃত্যুর মধ্য দিয়ে, একদিন তো ফিরতে হবেই, প্রিয় জেলা দিনাজপুর রংপুর, রাজশাহী,এই উত্তরবঙ্গে, যার যেখান থেকে অবস্থান রয়েছে সেখান থেকেই চেষ্টা করে, আর এক ধাপ এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা অব্যাহত থাক, এই প্রত্যাশা রাখছি সবার কাছে, যারা বিশেষ করে, একটা অবস্থানে রয়েছেন, তাদের প্রত্যেকের কাছে আবেদন রাখছি, আপনার গ্রামের একটি ছেলেকে আপনার অফিসে দোকানে কিংবা আপনার বাসায় চাকরি দিয়ে, অথবা আপনার গ্রামের ইস্কুল মসজিদ মন্দিরে সাহায্যের মাধ্যমে একটা অবস্থান তৈরি হোক, সবকিছু সরকার করবে এমন ভাবনা থেকে বের হয়ে এসে নিজেদের একটা, নতুন উত্তরবঙ্গের সৃষ্টির চেষ্টায় এক হয়ে কাজ করি, এ টুকুই কামনা করছি , সবায় হামার তোন্মে দোয়া করেন বাহে,,,,,,,,,,,

ট্যাগ: bdnewshour24 দেশের উন্নয়ন অবদান